Your password is being change. Please wait ...

চার্টার্ড সেক্রেটারীজ আইন

Volume - 40 Act - ২৫ Year - ২০১০  Date - ১৬ই জুন, ২০১০ 

চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার উন্নয়ন, বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন

যেহেতু চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার উন্নয়ন, বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

১। (১) এই আইন চার্টার্ড সেক্রেটারীজ আইন, ২০১০ নামে অভিহিত হইবে । (২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

২।সংজ্ঞা

২।-বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে- (১) "ইনস্টিটিউট" অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি); (২) "এসোসিয়েট" অর্থ ধারা ১৪ তে উলিস্নখিত কোন এসোসিয়েট সদস্য; (৩) "কাউন্সিল" অর্থ ধারা ৫ এ উল্লিখিত চার্টার্ড সেক্রেটারীজ কাউন্সিল; (৪) "কমিটি" অর্থ ধারা ১৩ এর অধীন গঠিত স্থায়ী কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সাব-কমিটি; (৫) "কোম্পানী আইন" অর্থ কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন); (৬) "চার্টার্ড সেক্রেটারীজ" অর্থ রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত কোন সদস্য; (৭) "তহবিল" অর্থ ধারা ২৪ এর অধীন গঠিত তহবিল; (৮) "নির্ধারিত" অর্থ প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত; (৯) "পেশা" অর্থ চার্টার্ড সেক্রেটারীজ পেশা, যাহা একজন কোম্পানী সেক্রেটারী কোম্পানী আইন, সিকিউরিটিজ আইন এবং অন্যান্য প্রচলিত আইন অনুসারে করিয়া থাকেন; (১০) "প্রবিধান" অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান; (১১) "প্রাইভেট প্র্যাকটিস" অর্থ ধারা ১৯ এর উপ-ধারা (৮) এ উল্লিখিত কোন কার্য; (১২) "প্রেসিডেন্ট" অর্থ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; (১৩) "পেশাগত অসদাচরণ" অর্থ ধারা ২০ এ উল্লিখিত পেশাগত অসদাচরণ; (১৪) "ফেলো" অর্থ ধারা ১৪ তে উল্লিখিত কোন ফেলো সদস্য; (১৫) "বিলুপ্ত ইনস্টিটিউট" অর্থ ধারা ৩৫ এর বিধান অনুসারে বিলুপ্তকৃত Institute of Chartered Secretaries and Managers of Bangladesh;; (১৬) "রেজিস্টার" অর্থ ধারা ১৮ তে উল্লিখিত রেজিস্টার; (১৭) "সদস্য" অর্থ রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত কোন ব্যক্তি; (১৮) "সিকিউরিটিজ আইন" অর্থ Securities and Exchange Ordinance, 1969 (Ordinance No. XVII of 1969)।

৩।ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা

৩। (১) এই আইন বলবৎ হইবার পর, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি) নামে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করিবে। (২) ইনস্টিটিউট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং, এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ৰমতা থাকিবে এবং ইনস্টিটিউট ইহার স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

৪।ইনস্টিটিউটের কার্যালয়

৪। ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং ইহা, প্রয়োজনবোধে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।

৫। ইনস্টিটিউটের পরিচালনা ও প্রশাসন

৫। (১) ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনার জন্য উহার একটি কাউন্সিল থাকিবে, যাহা চার্টার্ড সেক্রেটারীজ কাউন্সিল নামে অভিহিত হইবে। (২) ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনা পদ্ধতি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে, তবে এতদুদ্দেশ্যে প্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত, কাউন্সিল কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইনস্টিটিউটের কর্মকান্ড পরিচালনা করা যাইবে।

৬। কাউন্সিল গঠন

৬। (১) নিম্নবর্ণিত সদস্যগণের সমন্বয়ে কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথা ঃ- (ক) ফেলো ও এসোসিয়েটগণের মধ্য হইতে নির্বাচিত তেরজন সদস্য, যাহাদের মধ্য হইতে, উক্ত সদস্যগণ কর্তৃক ভোটের মাধ্যমে, যথাক্রমে একজন উহার প্রেসিডেন্ট, একজন সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং একজন ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হইবেন; (খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, উক্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার, একজন কর্মকর্তা; (গ) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ কর্তৃক মনোনীত, উক্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার, একজন কর্মকর্তা; (ঘ) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক মনোনীত, উক্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার, একজন কর্মকর্তা; (ঙ) সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (এস.ই.সি) কর্তৃক মনোনীত, উক্ত কমিশনের, একজন সদস্য; এবং (চ) রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস এর রেজিস্ট্রার। (২) প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের প্রধান হইবেন। (৩) প্রেসিডেন্ট এর পদ শূন্য হইলে বা তাঁহার অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে তিনি তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে, উক্ত শূন্য পদে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যনত্দ কিংবা প্রেসিডেন্ট পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এর অবর্তমানে ভাইস-প্রেসিডেন্ট, প্রেসিডেন্টের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করিবেন।

৭।কাউন্সিলের মেয়াদ

৭।(১) কাউন্সিলের মেয়াদ হইবে উহার প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে তিন বৎসর। (২) কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ, পদত্যাগ না করিলে, কাউন্সিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত স্ব-স্ব পদে বহাল থাকিবেন এবং তাহারা পুনঃনির্বাচনের জন্য অযোগ্য হইবেন না। (৩) উপ-ধারা (১) ও (২) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ক্ষেত্রমত, কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট, তাঁহাদের উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত, স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

৮।নির্বাচন, মনোনয়ন, বিরোধ নিষ্পত্তি, ইত্যাদি

৮।(১) কোন কাউন্সিলের মেয়াদ অবসানের পূর্ববর্তী ষাট দিনের মধ্যে, পরবর্তী কাউন্সিল গঠনের উদ্দেশ্যে, উহার সদস্যগণের নির্বাচন ও, ক্ষেত্রমত, মনোনয়ন সম্পন্ন করিতে হইবে। (২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অনধিক নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন ও, ক্ষেত্রমত, মনোনয়ন সম্পন্ন করিয়া কাউন্সিল গঠন করিতে হইবে। (৩) কাউন্সিলের প্র ম সভায় উহার প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে। (৪) কাউন্সিলের সদস্য পদে মনোনয়নের ক্ষেত্রে, মনোনয়ন প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা, যে কোন সময়, সংশ্লিষ্ট মনোনয়ন বাতিলপূর্বক নূতন মনোনয়ন প্রদান করিতে পারিবে। (৫) উপ-ধারা (১) ও (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে কাউন্সিল গঠন করা না হইলে, সরকার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষে একজন প্রশাসক নিয়োগ করিবে এবং প্রশাসক, যথাশীঘ্র সম্ভব, কাউন্সিল গঠন করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। (৬) কাউন্সিলের নির্বাচন প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হইবে। (৭) কাউন্সিলের কোন নির্বাচনকে কেন্দ্র করিয়া কোন বিরোধ দেখা দিলে উক্ত বিরোধ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল কতৃর্ক নিষ্পত্তি হইবে। (৮) কাউন্সিল কতৃর্ক কাউন্সিলের ফেলো সদস্যগণের মধ্য হইতে একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যকে চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলের অপর দুইজন সদস্যকে সদস্য করিয়া নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং কাউন্সিলের নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে উক্ত ট্রাইবু্যনালের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।

৯।কাউন্সিলের সদস্য পদে শূন্যতা

৯। (১) ধারা ৬ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) তে উল্লিখিত কাউন্সিলের কোন নির্বাচিত সদস্য যুক্তিসঙ্গত কোন কারণ ব্যতীত পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকিলে, পদত্যাগ করিলে বা কোন কারণে রেজিস্টার হইতে তাহার নাম অপসারিত হইলে কাউন্সিলে তাহার পদ শূন্য হইয়া যাইবে। (২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন কারণে কাউন্সিলের নির্বাচিত কোন সদস্যের পদ শূন্য হইলে, উক্তরূপ শূন্য হইবার তারিখ হইতে অনধিক নব্বই দিনের মধ্যে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নূতন নির্বাচনের মাধ্যমে উক্ত শূন্য পদ পূরণ করা হইবে এবং উক্তরূপে নির্বাচিত সদস্য তাহার পূর্বসূরীর মেয়াদের অবশিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত কাউন্সিলের সদস্য পদে বহাল থাকিবেন। (৩) উপ-ধারা (২) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কাউন্সিলের মেয়াদ অবসানের পূর্ববর্তী ছয় মাসের মধ্যে কোন পদ শূন্য হইলে, উক্ত পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান না করিয়া কাউন্সিল উহার সদস্য হইবার যোগ্য কোন ফেলো বা এসোসিয়েটকে সাময়িকভাবে, অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য, উক্ত শূন্য পদে নিয়োগ করিতে পারিবে। [ ব্যাখ্যা : এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে গণ্য হইবেন।]

১০।কাউন্সিল সদস্যের পদত্যাগ

১০। (১) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বা, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য থাকিলে, ভাইস প্রেসিডেন্টের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে প্রেসিডেন্ট এবং প্রেসিডেন্টের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট, ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ পদত্যাগ করিতে পারিবেন। (২) পদত্যাগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে উহা কার্যকর হইবে এবং কাউন্সিলে সংশ্লিষ্ট পদটি শূন্য হইবে।

১১। কাউন্সিল এর সভা

১২।কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলী

১২। কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা ঃ- (১) চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা; (২) সদস্য পদের জন্য আবেদন বিবেচনা করা এবং উহা অনুমোদন বা অননুমোদন করা; (৩) ছাত্র ভর্তি এবং ছাত্রদের শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করা ; (৪) প্রশি্ক্ষণের পাঠ্যক্রম প্রণয়ন এবং উহার উন্নয়ন করা ; (৫) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য পরীক্ষা পরিচালনা করা এবং উক্ত পরী্ক্ষার ফিস নির্ধারণ করা; (৬) ছাত্রদের রেজিস্ট্রেশন, প্রশিক্ষণ ও এতদ্সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ করা; (৭) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য যোগ্যতা নির্ধারণ করা ; (৮) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য বিদেশীদের যোগ্যতা নির্ধারণ করা; (৯) এই আইনের অধীন প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদ মঞ্জুর বা না-মঞ্জুর করা; (১০) যোগ্য ব্যক্তিদের সনদ ও ডিপ্লোমা প্রদান করা ; (১১) সদস্য, ছাত্র, পরী্ক্ষণ প্রার্থীদের ফিস নির্ধারণ, পরিবর্তন এবং আদায় করা; (১২) রেজিস্টার হইতে নাম অপসারণজনিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান এবং অপসারিত নাম পুনর্বহাল করা; (১৩) পাঠাগার সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা; (১৪) কোম্পানী ব্যবস্থাপনা এবং প্রাসংগিক প্রফেশনাল বিষয়ে সাময়িকী প্রকাশ করা; (১৫) ছাত্রদের আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা প্রদান করা; (১৬) শৃংখলা সম্পর্কিত নির্ধারিত ক্ষমতা প্রয়োগ করা; (১৭) ইনস্টিটিউটের জন্য স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন এবং নূতন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা; (১৮) ইনস্টিটিউটের অফিস স্থাপন এবং ইহার ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা করা; (১৯) ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করা; (২০) কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠান করা; এবং (২১) দফা (১)-(২০) এ উল্লিখিত কার্যাদির সম্পূরক কার্য-সম্পাদন করা এবং এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

১৩।স্থায়ী কমিটি ও সাব-কমিটি গঠন এবং পরিচালনা

১৩।(১) কাউন্সিল, উহার উপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করিবার লক্ষ্যে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, এক বা একাধিক স্থায়ী কমিটি গঠন ও পরিচালনা করিতে পারিবে। (২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত যে কোন স্থায়ী কমিটির উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সহায়তা প্রদানের জন্য কাউন্সিল, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, এক বা একাধিক সাব-কমিটি গঠন ও পরিচালনা করিতে পারিবে। (৩) স্থায়ী কমিটি এবং সাব-কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

১৪। সদস্যপদ

১৪। (১) সদস্যপদ নিম্নরূপ দুই শ্রেণীতে বিভক্ত থাকিবে, যথা :- (ক) ফেলো; এবং (খ) এসোসিয়েট। (২) বিলুপ্ত ইনস্টিটিউটের ফেলো ও এসোসিয়েটগণ এই ইনস্টিটিউটের ফেলো ও এসোসিয়েট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তাহাদের নাম ফেলো ও এসোসিয়েট হিসাবে রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হইবে। (৩) ইনস্টিটিউটের কোন সদস্যের নাম প্রথম বার রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হইলে তিনি ইনস্টিটিউটের একজন এসোসিয়েট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং যতদিন তাহার নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, ততদিন তিনি তাহার নামের পর এসোসিয়েট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ(এসিএস) উপাধি ব্যবহার করিবার অধিকারী হইবেন। (৪) কোন এসোসিয়েট তাহার সদস্যভুক্তির তারিখ হইতে একাদিক্রমে পাঁচ বৎসর চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশায় বা তৎসংক্রান্ত চাকুরীতে নিয়োজিত থাকিলে, ফেলো সদস্যভুক্তির আবেদন ও ফি প্রদান সাপেক্ষে, কাউন্সিল কর্তৃক যোগ্য বিবেচিত হইলে, আবেদনের তারিখ হইতে তিনি ইনস্টিটিউটের ফেলো হিসাবে গণ্য হইবেন। (৫) ফেলো হিসাবে কোন ব্যক্তির নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত থাকিলে, যতদিন তাহার নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, ততদিন তিনি তাহার নামের পর ফেলো অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ (এফসিএস) উপাধি ব্যবহার করিবার অধিকারী হইবেন।

১৫।সদস্য হইবার যোগ্যতা

১৫। (১) নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ সদস্য হইবার যোগ্য হইবেন, যথা :- (ক) বিলুপ্ত ইনস্টিটিউট কর্তৃক নির্ধারিত পরীক্ষায় যিনি উত্তীর্ণ হইয়াছেন এবং উক্ত ইনস্টিটিউট কর্তৃক প্রদত্ত প্রশিক্ষণ সফলতার সহিত সমাপ্ত করিয়াছেন; (খ) সদস্যপদের জন্য নির্ধারিত পরীক্ষায় যিনি উত্তীর্ণ হইয়াছেন এবং সফলতার সহিত প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করিয়াছেন; (গ) সদস্যপদের জন্য নির্ধারিত পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণের সমতুল্য বলিয়া কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত বিদেশের কোন পরীক্ষায় যিনি উত্তীর্ণ হইয়াছেন এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করিয়াছেন; (ঘ) বিলুপ্ত ইনস্টিটিউট বা কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত কোন বিদেশী ইনস্টিটিউট হইতে যিনি চার্টার্ড সেক্রেটারী সার্টিফিকেট অর্জন করিয়াছেন। (২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত উপ-ধারার অধীন সদস্য হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস না করেন, তাহা হইলে তাহার সদস্য হইবার বা সদস্য পদ বহাল রাখিবার বিষয়ে কাউন্সিল বিশেষ শর্ত আরোপ করিতে পারিবে।

১৬।সদস্য হইবার ক্ষেত্রে অযোগ্যতা

১৬। ধারা ১৫ তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি সদস্য হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি- (ক) তিনি কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হইতে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রী অর্জন না করেন; (খ) আবেদনের সময় তাহার বয়স একুশ বৎসর বা তদূধর্ব না হয়; (গ) তিনি অপ্রকৃতিস্থ হন; (ঘ) নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে উপযুক্ত আদালত কর্তৃক তিনি দোষী সাব্যস্ত হন এবং সাজা ভোগ করিবার পর অন্যূন দুই বৎসর অতিক্রান্ত না হইয়া থাকে; অথবা (ঙ) পেশাগত অসদাচরণের দায়ে তাহার নাম রেজিস্টার হইতে ইতোপূর্বে অপসারিত হইয়া থাকে।

১৭।সদস্য হইবার জন্য আবেদন

১৭। (১) কোন ব্যক্তি সদস্য হইতে ইচ্ছুক হইলে, তাহাকে নির্ধারিত ফিসসহ নির্ধারিত ফরমে, সচিবের নিকট আবেদন করিতে হইবে। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির পর সচিব উহা কাউন্সিলে উপস্থাপন করিবেন এবং কাউন্সিল, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিতে পারিবে। (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন আবেদন নামঞ্জুর করা হইলে উক্তরূপ নামঞ্জুরের ত্রিশ দিনের মধ্যে কাউন্সিলের নিকট বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন করা যাইবে এবং কাউন্সিল উক্তরূপ আবেদনের পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সংশ্লিষ্ট আবেদন নিষ্পত্তি করিবে। (৪) উপ-ধারা (২) বা, ক্ষেত্রমত, উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন আবেদন মঞ্জুর করা হইলে উক্ত নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করা হইবে। (৫) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিলুপ্ত ইনস্টিটিউটের সদস্যগণকে আবেদন বা ফি প্রদান ব্যতিরেকে ইনস্টিটিউটের সদস্য হিসাবে রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হইবে।

১৮।রেজিস্টার

১৮।(১) সচিব, নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি উল্লেখপূর্বক, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সদস্যগণের নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষণ করিবেন, যথাঃ- (ক) সদস্য নম্বর; (খ) সদস্যের নাম; (গ) পিতার নাম, মাতার নাম এবং স্বামীর বা স্ত্রীর নাম; (ঘ) জন্ম তারিখ ও জাতীয়তা; (ঙ) জাতীয় পরিচিতি নম্বর; (চ) টিআইএন নম্বর (ছ) টেলিফোন, মোবাইল, ফ্যাক্স ও ই-মেইল নম্বরসহ (যদি থাকে) বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং পেশাগত কার্যালয়ের ঠিকানা; (জ) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির তারিখ; (ঝ) শিৰাগত যোগ্যতা; (ঞ) প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে); এবং (ট) আনুষঙ্গিক বিষয় ও নির্ধারিত অন্যান্য বিষয়। (২) কোন ব্যক্তির নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত থাকিলে তিনি ইনস্টিটিউটের সদস্য হইবেন এবং চার্টার্ড সেক্রেটারী নামে অভিহিত হইবেন। (৩) প্রতি বৎসর জানুয়ারি মাসের এক তারিখে বা তৎপূর্বে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ইনস্টিটিউট উহার সদস্যগণের তালিকা প্রকাশ করিবে। (৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রকাশিত তালিকার কপি সদস্যগণ, নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে, ইনস্টিটিউট হইতে সংগ্রহ করিতে পারিবেন। (৫) প্রত্যেক সদস্যকে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বাৎসরিক সদস্য-ফি প্রদান করিতে হইবে।

১৯।প্রাইভেট প্র্যাকটিস (Private Practice)

১৯। (১) ইনস্টিটিউট প্রদত্ত সনদপত্রের অধিকারী না হইলে কোন সদস্য বাংলাদেশের কোথাও প্রাইভেট প্র্যাকটিস করিতে পারিবেন না। (২) কোন সদস্য প্রাইভেট প্র্যাকটিস করিতে আগ্রহী হইলে তাহাকে, নির্ধারিত ফিসহ নির্ধারিত ফরমে, সচিবের নিকট আবেদন করিতে হইবে। (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির পর সচিব উহা কাউন্সিলে উপস্থাপন করিবেন এবং কাউন্সিল, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিতে পারিবে। (৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন আবেদন নামঞ্জুর করা হইলে উক্তরূপ নামঞ্জুরে ত্রিশ দিনের মধ্যে কাউন্সিলের নিকট বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন করা যাইবে এবং কাউন্সিল উক্তরূপ আবেদনের পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সংশ্লিষ্ট আবেদন নিষ্পত্তি করিবে। (৫) উপ-ধারা (৩) বা, ক্ষেত্রমত, উপ-ধারা (৪) এর অধীন কোন আবেদন মঞ্জুর করা হইলে সচিব, ইনস্টিটিউটের পক্ষে, সংশিস্নষ্ট সদস্যের অনুকূলে প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদ ইস্যু করিবেন। (৬) প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদধারী প্রত্যেক সদস্যকে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে, নির্ধারিত বাৎসরিক ফি প্রদান করিতে হইবে। (৭) প্রাইভেট প্র্যাকটিসরত কোন চার্টার্ড সেক্রেটারী কোন কোম্পানীতে সার্বক্ষণিক চাকুরীতে নিয়োজিত হইতে পারিবেন না এবং কোন কোম্পানীতে সার্বক্ষণিক চাকুরীতে নিয়োজিত কোন চার্টার্ড সেক্রেটারী প্রাইভেট প্র্যাকটিস করিতে পারিবেন না। (৮) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, কোন সদস্য চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশায় সার্বক্ষণিক চাকুরীতে নিয়োজিত না হইয়া ব্যক্তিগতভাবে নিম্নরূপ কোন কার্যাদির সহিত সম্পৃক্ত থাকিলে তিনি প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি,- (ক) ব্যক্তিগতভাবে বা চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশায় নিযুক্ত অন্য কোন সদস্যের বা নির্ধারিত অন্য কোন পেশার সদস্যের অংশীদারী ফার্মে সম্মানীর বিনিময়ে কাজ করেন; (খ) কোন কোম্পানীতে সার্বক্ষণিক চাকুরীরত না হইয়া চার্টার্ড সেক্রেটারী সংক্রান্ত পেশাগত সেবা প্রদান বা সেবা প্রদানে সহায়তা প্রদান করেন; (গ) কোন কোম্পানী গঠন, নিগমবদ্ধকরণ, পুনর্গঠন, একত্রীকরণ বা বিলুপ্তিকরণের সহিত সংশিস্নষ্ট সেবা প্রদান করেন বা সেবা প্রদানে আগ্রহী হন; (ঘ) কোম্পানীর পক্ষেবর্ণিত বিষয়ে সেবা প্রদান করেন বা সেবা প্রদানে আগ্রহী হন, যথাঃ- (অ) কোম্পানীর পক্ষে উহার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি হিসাবে কোম্পানীর ফরম, আবেদন এবং রিটার্ণসহ রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের নিকট কোন দলিল জমাদান, নিবন্ধন, সত্যায়ন বা প্রত্যয়নের কাজ করেন; (আ) সিকিউরিটিজ ট্রান্সফার বা ট্রান্সমিশন সংক্রান্ত কাজ করেন; (ই) সিকিউরিটিজ বা বন্ড ইস্যূ সংক্রান্ত কাজ করেন; (ঈ) শেয়ার ও স্টক ব্রোকার সংক্রান্ত কাজ করেন; (উ) আপাততঃ বলবৎ কোম্পানী আইন, সিকিউরিটিজ আইন বা Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (Act No. VII of 1947) এর অধীনে কোন কোম্পানী পরিচালনায় উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেন; (ঊ) কোম্পানীর পক্ষে বা কোম্পানীর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সনদ ইস্যূর কাজ করেন; (ঋ) সেক্রেটারীয়েল অডিট বা কনসালটেন্ট হিসাবে কাজ করেন; (ঙ) চার্টার্ড সেক্রেটারী সংক্রান্ত পেশাগত সেবা প্রদান বা সেবা প্রদানে সহায়তা প্রদান করেন; এবং (চ) কাউন্সিলের বিবেচনায় অন্য কোন সেবা প্রদান করেন। (৯) এই আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে কর্মরত কোন কোম্পানী সেক্রেটারীর চাকুরী অব্যাহত থাকিবার ক্ষেত্রে চার্টার্ড সেক্রেটারী সনদ বা প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদ কোন বাধা হইবে না।

২০।পেশাগত অসদাচরণ

২০। (১) কোন চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশাগত অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি- (ক) অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহার নামে চার্টার্ড সেক্রেটারী হিসাবে প্র্যাকটিস করিতে অনুমতি প্রদান করেন; (খ) সদস্য নহেন এইরূপ কোন ব্যক্তিকে, প্রত্যক্ষ বা পরো্ক্ষভাবে, তাহার পেশাগত কাজ বাবদ প্রাপ্ত ফি এর অংশবিশেষ হিস্যা, কমিশন, পারিশ্রমিক বা ব্রোকারেজ হিসাবে প্রদান করেন, প্রদান করিবার জন্য অনুমতি প্রদান করেন বা প্রদান করিতে সম্মত হন; (গ) পেশার কার্যক্রমে অংশীদার হইবার যোগ্যতা নাই এমন কোন ব্যক্তির মাধ্যমে বা চার্টার্ড সেক্রেটারীর জন্য শোভন নয় এমন কোন উপায়ে কোন পেশাগত কাজ অর্জন করেন; (ঘ) সার্কুলার, বিজ্ঞাপন, বা অনুরূপ কোন উপায়ে মক্কেল পাওয়ার জন্য বা পেশাগত কাজ পাইবার জন্য চেষ্টা করেন; (ঙ) পেশাগত সাফল্য প্রচারের উদ্দেশ্যে কোন দলিল, ভিজিটিং কার্ড, চিঠির প্যাড বা সাইন বোর্ডে এমন কোন ডিগ্রীর উল্লেখ করেন যাহার কোন আইনগত ভিত্তি নাই বা যাহা কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত নয়; (চ) ইতোপূর্বে অন্য কোন চার্টার্ড সেক্রেটারী কর্তৃক ধারণ করা হইয়াছে, এমন কোন পেশাগত দায়িত্ব প্রমোক্ত চার্টার্ড সেক্রেটারীকে লিখিতভাবে অবগত না করিয়া গ্রহণ করেন; (ছ) কাউন্সিল কর্তৃক অননুমোদিত এবং চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার সহিত সম্পর্কিত নয়, এমন কোন ব্যবসা বা কাজে নিজকে নিয়োজিত রাখেন; (জ) প্রাইভেট প্র্যাকটিসরত অথচ সদস্য নহেন এমন কোন ব্যক্তিকে তাহার পক্ষে এমন কিছু দলিল সত্যায়িত বা সার্টিফাই করিবার জন্য অনুমতি দেন যাহা শুধুমাত্র চার্টার্ড সেক্রেটারীকেই সত্যায়িত বা সার্টিফাই করিতে হয়; এবং (ঝ) তাহার চাকুরী বা দায়িত্ব পালনের সুবাদে জানা এমন কোন গোপন তথ্য, প্রচলিত কোন আইন অনুযায়ী বা নিয়োগকারী কর্তৃক অনুমতিপ্রাপ্ত না হইয়া, ফাঁস করিয়া দেন। (২) প্রাইভেট প্র্যাকটিস না করিয়া বা চার্টার্ড সেক্রেটারী হিসাবে কর্মরত না থাকিয়া অন্য কোন চাকুরীতে নিয়োজিত আছেন বা থাকেন, এমন কোন সদস্য অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি,- (ক) কোন কোম্পানী, ফার্ম বা ব্যক্তির কর্মচারী হইয়া তাহার চাকুরীর বেতনের কোন অংশ, প্রত্যক্ষ বা পরো্ক্ষভাবে, অন্য কোন ব্যক্তিকে প্রদান করেন, প্রদান করিবার অনুমতি দেন বা তাহাতে সম্মতি প্রদান করেন; (খ) দফা (ক) তে উল্লিখিত কোম্পানী, ফার্ম বা ব্যক্তি কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী, চার্টার্ড সেক্রেটারী বা দালালের নিকট হইতে কমিশন বা বখশিস হিসাবে তাহার আয়ের কিছু অংশ গ্রহণ করেন বা করিতে সম্মত হন; (৩) কোন সদস্য, পেশাগত অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি- (ক) কাউন্সিলের নিকট প্রদত্ত কোন স্টেটমেন্ট, রিটার্ণ বা ফরমে এমন কিছু বিবরণ অন্তর্ভুক্ত করেন, যাহা তিনি মিথ্যা বলিয়া জানেন; (খ) ফেলো না হইয়া নিজেকে ফেলো হিসাবে পরিচয় দেন; (গ) কাউন্সিল বা কমিটি কর্তৃক প্রাথীর তথ্য সরবরাহ না করেন; (ঘ) পেশাগত দায়িত্ব পালনের সূত্রে প্রাপ্ত অর্থ আত্মসাৎ বা তসরুফ করেন; (ঙ) এই আইন বা তদধীন প্রণীত কোন প্রবিধানের কোন বিধান লংঘন করেন; (চ) কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন কাজ করা হইতে বিরত থাকেন। (৪) প্রাইভেট প্র্যাকটিসরত কোন চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশাগত অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি- (ক) দায়িত্ব পালনের সূত্রে প্রাপ্ত কোন তথ্য নিয়োগকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রকাশ করেন; (খ) প্রাইভেট প্র্যাকটিস সম্পর্কিত কোন প্রতিবেদন, কোনরূপ পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করিয়া, সত্যায়িত করেন; (গ) কোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে এমন কোন প্রতিবেদন বা মতামত প্রদান করেন যাহাতে তাহার, তাহার ফার্ম বা তাহার ফার্মের কোন অংশীদারের স্বার্থ রহিয়াছে অথচ প্রতিবেদনে উহার উল্লেখ নাই; (ঘ) তাহার জানামতে কোন বাস্তব ঘটনা, প্রতিবেদন বা মতামত গোপন করিবার জন্য সাহায্য করেন, যদিও সংশিস্নষ্ট প্রতিবেদন বা মতামতকে বিভ্রান্তিমুক্ত করিবার জন্য উহা প্রকাশ করা প্রয়োজনীয় ছিল; (ঙ) প্রতিবেদনে তাহার জানামতে এমন কোন তথ্য প্রকাশ করিতে ব্যর্থ হন যাহার সহিত তিনি তাহার পেশাগত ক্ষমতার কারণে সংশিস্নষ্ট ছিলেন; (চ) তাহার পেশাগত দায়িত্ব পালনে গুরম্নতর অবহেলা করেন; এবং (ছ) তাহার মক্কেলের অর্থ কোন আলাদা হিসাবে জমা রাখিতে বা উক্ত টাকা যে উদ্দেশ্যে খরচ করার কথা সে উদ্দেশ্যে খরচ করিতে ব্যর্থ হন।

২১।পেশাগত অসদাচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ

২১। (১) কোন তথ্য বা অভিযোগের ভিত্তিতে বা কাউন্সিল নিজ উদ্যোগে যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন সদস্য পেশাগত বা অন্য কোনভাবে ধারা ২০ এর অধীন কোন অসদারচরণে লিপ্ত বা অসদাচরণের দায়ে অভিযুক্ত, তাহা হইলে কাউন্সিল বিষয়টি তদন্ত করিবার জন্য শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং শৃঙ্খলা কমিটি, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, তদন্তপূর্বক উহার তদনত্দের প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট পেশ করিবে। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর কাউন্সিল যদি এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে, সংশ্লিষ্ট সদস্য কোন পেশাগত অসদাচণের দায়ে দোষী নহেন, তাহা হইলে অভিযোগটি খারিজ করিয়া দিবে। (৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর যদি কাউন্সিল মনে করে যে, সংশিস্নষ্ট সদস্য কোন পেশাগত অসদাচরণের দায়ে দোষী, তাহা হইলে কাউন্সিল তাহাকে যুক্তিসঙ্গত শুনানীর সুযোগ প্রদানপূর্বক নিম্নবর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে, যথা :- (ক) তিরস্কার; (খ) রেজিস্টার হইতে সাময়িকভাবে নাম অপসারণ; বা (গ) রেজিস্টার হইতে স্থায়ীভাবে নাম অপসারণ। (৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন আদেশ প্রদান করা হইলে উক্ত আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে সংক্ষুব্ধ সদস্য সরকারের নিকট আপীল করিতে পারিবে এবং সরকার উক্ত আপীল দায়েরের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীলটি নিষ্পত্তি করিবে এবং এই ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে। (৫) সরকার উপ-ধারা (৪) এর উল্লিখিত সময়ের মধ্যে আপীলটি নিষ্পত্তি করিতে না পারিলে উহা মঞ্জুর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

২২।রেজিস্টার হইতে নাম অপসারণ

২২। (১) কোন সদস্য,- (ক) মৃতু্যবরণ করিলে; (খ) স্বীয় নাম অপসারণের জন্য কাউন্সিলের নিকট লিখিতভাবে অনুরোধ করিলে; (গ) নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোন নির্ধারিত ফি প্রদানে ব্যর্থ হইলে; বা (ঘ) এই আইনের অধীন কোন অযোগ্যতা থাকিলে বা অর্জন করিলে বা অন্য কোন কারণে রেজিস্টারে নাম বহাল রাখিবার অধিকার হারাইলে-কাউন্সিল তাহার নাম রেজিস্টার হইতে অপসারণ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে। (২) কাউন্সিল, উপ-ধারা (১) এর অধীন, কোন সদস্যের নাম রেজিস্টার হইতে অপসারণের নির্দেশ প্রদান করিলে, সচিব উক্ত সদস্যের নাম রেজিস্টার হইতে অপসারণ করিবেন।

২৩।সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী

২৩। (১) কাউন্সিল, ইনস্টিটিউটের কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, একজন সচিবসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং উক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে। (২) সচিব ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি, কাউন্সিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, ইনস্টিটিউটের প্রশাসন পরিচালনার জন্য দায়ী থাকিবেন। (৩) সচিবের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি বা অন্য কোন কারণে সচিব তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে শূন্য পদে নব নিযুক্ত সচিব কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যনত্দ কিংবা সচিব পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যনত্দ ইনস্টিটিউটে কর্মরত কর্মকর্তাগণের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।

২৪।তহবিল

২৪। (১) ইনস্টিটিউটের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা :- (ক) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; (খ) ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন খাত হইতে প্রাপ্ত অর্থ; (গ) ইনস্টিটিউট কর্তৃক গৃহীত ঋণ; (ঘ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; (ঙ) সরকারের পূর্বানুমোদক্রমে, কোন বিদেশী সরকার, সংস্থা বা কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা হইতে প্রাপ্ত অনুদান; (চ) সদস্যগণের নিকট হইতে প্রাপ্ত সদস্য ফি এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বাবদ প্রাপ্ত অর্থ; (ছ) অন্য কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত আয়। (২) তহবিল, কাউন্সিলের অনুমোদক্রমে, এক বা একাধিক তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখা হইবে এবং, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত তহবিল হইতে অর্থ উত্তোলন করা যাইবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, প্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত কাউন্সিল কতৃর্ক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে তহবিল হইতে অর্থ উত্তোলন করা যাইবে। (৩) তহবিল হইতে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ইনস্টিটিউটের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে।

২৫।হিসাবক্ষণ ও নিরীক্ষা

২৫। (১) ইনস্টিটিউট তহবিলের সঠিক ও যথাযথ হিসাব সংরক্ষাণ করিবে এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত পদ্ধতিতে চার্টার্ড একাউন্টেন্টস ফার্ম দ্বারা নিরীক্ষা করাইবে। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগকৃত চার্টার্ড একাউন্টেন্টস ফার্ম ইনস্টিটিউটের হিসাব সংক্রান্ত যাবতীয় বই ও অন্যান্য দলিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনবোধে কাউন্সিলের যে কোন সদস্য এবং ইনস্টিটিউটের যে কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবে। (৩) হিসাব নিরীক্ষার পর চার্টার্ড একাউন্টেন্ট্স ফার্ম ইনস্টিটিউটের নিকট নিরীক্ষা প্রতিবেদন পেশ করিবে এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ইনস্টিটিউট উহা প্রকাশ করিবে এবং উহার একটি কপি সরকার ও কাউন্সিলের প্রত্যেক সদস্যের নিকট প্রেরণ করিবে।

২৬।ট্রেজারার

২৬। (১) তহবিল পরিচালনা ও রক্ষণের জন্য একজন ট্রেজারার থাকিবেন। (২) ট্রেজারার কাউন্সিল কর্তৃক , উহার নির্বাচিত সদস্যগণের মধ্য হইতে, নিযুক্ত হইবেন এবং তাহার দায়িত্ব ও কার্যাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

২৭।মিথ্যা দাবীর দন্ড

২৭। যদি কোন ব্যক্তি- (ক) সদস্য না হইয়াও সদস্য হিসাবে প্রতিনিধিত্ব করেন; (খ) চার্টার্ড সেক্রেটারী না হইয়াও চার্টার্ড সেক্রেটারী পদবী ব্যবহার করেন; (গ) এসোসিয়েট বা ফেলো না হইয়াও নামের পরে এসিএস বা এফসিএস পদবী ব্যবহার করেন; (ঘ) কোন সদস্যের প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদ না থাকা সত্ত্বেও এইভাবে প্রচার করেন যে তিনি প্রাইভেট প্র্যাকটিসে আছেন; (ঙ) সদস্য না হইয়াও চার্টার্ড সেক্রেটারী হিসাবে প্র্যাকটিস করেন; তাহা হইলে তিনি প্রথমবার দোষী সাব্যস্ত হইলে অনধিক ছয় মাস কারাদন্ডে বা অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে এবং পরবর্তীতে একই অপরাধের জন্য পুনরায় দোষী সাব্যস্ত হইলে প্রতিবারের জন্য অনধিক এক বৎসর কারাদন্ড বা অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডিত হইবেন।

২৮।ইনস্টিটিউটের নাম ব্যবহার ও চার্টার্ড সেক্রেটারী ডিগ্রী প্রদানের দন্ড

২৮। (১) এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান- (ক) এমন কোন নাম বা সীলমোহর ব্যবহার করিবেন না যাহা ইনস্টিটিউটের নাম বা সাধারণ সীলমোহরের অনুরূপ; এবং (খ) এমন কোন ডিগ্রী, ডিপ্লোমা, সার্টিফিকেট বা পদবী প্রদান করিবেন না যাহা চার্টার্ড সেক্রেটারীর যোগ্যতার অনুরূপ বিবেচিত হয়। (২) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য প্রথমবার দোষী সাব্যস্ত হইলে অনধিক ছয় মাস কারাদন্ডে বা অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে এবং পরবর্তীতে একই অপরাধের জন্য পুনরায় দোষী সাব্যস্ত হইলে প্রতিবারের জন্য অনধিক এক বৎসর কারাদন্ড বা অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।

২৯।লিমিটেড কোম্পানী কর্তৃক চার্টার্ড সেক্রেটারী হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নিষেধ

২৯। (১) কোন লিমিটেড কোম্পানী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত হউক বা না হউক, চার্টার্ড সেক্রেটারী হিসাবে প্র্যাকটিস করিতে পারিবে না। (২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘনকারী কোন কোম্পানী প্র মবার দোষী সাব্যস্ত হইলে অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং পরবর্তীতে একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবে। (৩) এই আইনের অধীন কোন বিধান লংঘনকারী ব্যক্তি যদি কোম্পানী হয়, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানীর মালিক, পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তা বা প্রতিনিধি বিধানটি লঙ্ঘন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে পারেন যে, উক্ত লঙ্ঘন তাহার অজ্ঞাতসারে হইয়াছে অথবা উক্ত লঙ্ঘন রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন। ব্যাখ্যা : এই ধারায়- (ক) "কোম্পানী" বলিতে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এ সংজ্ঞায়িত কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সমিতি বা সংগঠনকে বুঝাইবে; (খ) বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে "পরিচালক" বলিতে উহার কোন অংশীদার বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্যকেও বুঝাইবে।

৩০।অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ

৩০। ইনস্টিটিউট, কাউন্সিলের কোন সদস্য অথবা ইনস্টিটিউটের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করিবে না।

৩১। Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) এর প্রয়োগ, ইত্যাদি

৩১। এই আইনের অধীন কৃত অপরাধের জন্য কোন অভিযোগ দাখিল, তদন্ত, শুনানী, আপীল দায়ের ও নিষ্পত্তি এবং বিচারের ক্ষেত্রে Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) এর বিধানাবলী অনুসরণ করা হইবে।

৩২।আপীল

৩২। এই আইনের অধীনে কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্দ হইলে তিনি উক্ত রায় বা আদেশ প্রদত্ত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন।

৩৩।প্রবিধান প্রণয়ন

৩৩। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ইনস্টিটিউট, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।

৩৪।ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ

৩৪। (১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ প্রকাশ করিবে। (২) বাংলা ও ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

৩৫।বিলোপ ও হেফাজত

৩৫। (১) কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত Institute of Chartered Secretaries and Managers of Bangladesh , এতদ্বারা বিলুপ্ত করা হইল। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন, Institute of Chartered Secretaries and Managers of Bangladesh , বিলুপ্ত হইবার সংগে সংগে- (ক) বিলুপ্ত ইনস্টিটিউটের সকল ফেলো ও এসোসিয়েট এই ইনস্টিটিউটের ফেলো ও এসোসিয়েট হিসেবে গণ্য হইবেন এবং তাহাদের নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হইবে; (খ) বিলুপ্ত ইনস্টিটিউটের কাউন্সিল এবং কাউন্সিলের কমিটিসমূহ, ধারা ৮ এর উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, নতুন কাউন্সিল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ইনস্টিটিউটের কাউন্সিল এবং কাউন্সিলের কমিটি হিসেবে দায়িত্ব পালন করিবে; (গ) বিলুপ্ত ইনস্টিটিউট এর সকল সম্পদ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও সুবিধাদি এবং স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পত্তি, নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ এবং অন্য সকল দাবী ও অধিকার ইনস্টিটিউটে হস্তান্তরিত হইবে এবং ইনস্টিটিউট উহার অধিকারী হইবে; (ঘ) বিলুপ্ত ইনস্টিটিউটের সকল ঋণ, দায় এবং দায়িত্ব এবং উহার দ্বারা, উহার পক্ষে বা উহার সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি যথাক্রমে ইনস্টিটিউটের ঋণ, দায় এবং দায়িত্ব এবং উহার দ্বারা পক্ষে বা সহিত সম্পাদিত চুক্তি বলিয়া গণ্য হইবে; (ঙ) বিলুপ্ত ইনস্টিটিউট কর্তৃক উহার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা-মোকদ্দমা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বা উহার বিরম্নদ্ধে দায়েরকৃত মামলা-মোকদ্দমা বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (চ) কোন চুক্তি, দলিল বা চাকুরীর শর্তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিলুপ্ত ইনস্টিটিউটের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী ইনস্টিটিউটে বদলী হইবেন এবং তাহারা ইনস্টিটিউট কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ বদলীর পূর্বে তাহারা যে শর্তে চাকুরীতে নিয়োজিত ছিলেন, ইনস্টিটিউট কর্তৃক পরিবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত সেই একই শর্তে তাহারা ইনস্টিটিউটের চাকুরীতে নিয়োজিত থাকিবেন। (৩) উপ-ধারা (২) এর বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা দেখা দিলে, উক্ত অসুবিধা দূরীকরণার্থে সরকার, লিখিত আদেশ দ্বারা, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।



Related Laws

চার্টার্ড সেক্রেটারীজ আইন

চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার উন্নয়ন, বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত…

চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অধ্যাদেশ

চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার উন্নয়ন, বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত…

Share your thoughts on this law