Your password is being change. Please wait ...

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ আইন

Volume - 43 Act - ৪৫ Year - ২০১৩ Date - ১০ অক্টোবর, ২০১৩

Bangladesh Council of Scientific and Industrial Research Ordinance, 1978 রহিতক্রমে সংশোধিত আকারে উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন

যেহেতু বাংলাদেশে বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণার উন্নয়ন, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও প্রয়োগ এবং বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও শিল্প প্রতিষ্ঠা এর লক্ষ্যে Bangladesh Council of Scientific and Industrial Research Ordinance, 1978 (Ord. No. V of 1978) রহিতক্রমে সংশোধিত আকারে উহা পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:—

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

১। (১) এই আইন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ আইন, ২০১৩ নামে অভিহিত হইবে।

(২) এই আইন অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

২। সংজ্ঞা

২। বিষয় ও প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে—

(ক) “উপদেষ্টা পরিষদ” অর্থ ধারা ৯ এর অধীন গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ;

(খ) “চেয়ারম্যান” অর্থ পরিষদের চেয়ারম্যান;

(গ) “পরিচালক” অর্থ সরকার কর্তৃক ধারা ১৯ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিযুক্ত কোন পরিচালক;

(ঘ) “পরিষদ” অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ;

(ঙ) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;

(চ) “বোর্ড” অর্থ ধারা ৫ এর অধীন গঠিত পরিষদের বোর্ড;

(ছ) “বিশেষজ্ঞ কমিটি” অর্থ ধারা ১৫ এর অধীন গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি;

(জ) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি; এবং

(ঝ) “সদস্য” অর্থ বোর্ডের কোন সদস্য এবং চেয়ারম্যানও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবেন।

৩। পরিষদ প্রতিষ্ঠা

৩। (১) এই আইন কার্যকর হইবার সংগে সংগে, এই আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ নামে একটি পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হইবে।

(২) পরিষদ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে, ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীল মোহর থাকিবে এবং, এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং পরিষদ ইহার স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

৪। প্রধান কার্যালয়

৪। (১) পরিষদের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে।

(২) বোর্ড প্রয়োজনে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।

৫। বোর্ড গঠন

৫। (১) এই আইন এবং তদধীন প্রণীত বিধি ও প্রবিধান সাপেক্ষে পরিষদের কাজকর্মের সার্বিক পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বোর্ডের উপর বর্তাইবে এবং বোর্ড, পরিষদ কর্তৃক প্রয়োগ ও সম্পন্ন হইতে পারে, এইরূপ সকল ক্ষমতা প্রয়োগ এবং কার্য-সম্পাদন করিবে।

(২) একজন সার্বক্ষণিক চেয়ারম্যান, চারজন সার্বক্ষণিক সদস্য ও সরকার কর্তৃক মনোনীত সর্বোচ্চ চারজন খণ্ডকালীন সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত হইবে।

(৩) চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাহাদের চাকুরীর শর্তাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

(৪) বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞান গবেষক এবং স্ব স্ব বিশেষজ্ঞ-জ্ঞানের ক্ষেত্রে স্বনামধন্য বা সরকারের বিবেচনায় পরিষদের কার্যাবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট অন্য কোন বিষয়ে ২০ (বিশ) বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি বোর্ডের চেয়ারম্যান বা সদস্য হিসাবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।

(৫) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সার্বক্ষণিক সদস্যগণ পৃথকভাবে পরিষদের বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি, প্রশাসন, অর্থ এবং উন্নয়ন বিভাগকে প্রতিনিধিত্ব করিবেন এবং তাহাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উক্ত বিভাগসমূহ পরিচালিত হইবে।

(৬) চেয়ারম্যান ও সার্বক্ষণিক সদস্যগণ তাহাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে ৩ (তিন) বছর মেয়াদের জন্য স্ব স্ব পদে বহাল থাকিবেন এবং অনুরূপ একটি মাত্র মেয়াদের জন্য পুনঃনিয়োগের যোগ্য হইবেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তির বয়স ৬৭ (সাতষট্টি) বৎসর পূর্ণ হইলে তিনি চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে নিযুক্ত হইবার যোগ্য হইবেন না বা চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে বহাল থাকিবেন না।

(৭) চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে চেয়ারম্যান তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে, নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান তাহার পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা চেয়ারম্যান পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত বোর্ডের জ্যেষ্ঠতম সদস্য চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৮) চেয়ারম্যান বা কোন সদস্য যে কোন সময় সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে অন্যূন ০৩ (তিন) মাসের অগ্রিম নোটিশ প্রদান করিয়া স্ব স্ব পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, সরকার কর্তৃক উক্ত পদত্যাগ গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত চেয়ারম্যান বা, ক্ষেত্রমত সদস্য স্ব স্ব কার্য চালাইয়া যাইবেন।

(৯) সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে চেয়ারম্যান বা কোন সদস্যের নিয়োগ বাতিল করিতে পারিবে।

(১০) চেয়ারম্যান বা কোন সদস্য মৃত্যুবরণ করিলে বা উপ-ধারা (৮) এর বিধান অনুসারে স্বীয় পদ ত্যাগ করিলে বা নিয়োগ বাতিল হইলে, সরকার উক্তরূপ পদ শূন্য হইবার, ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে, এই আইনের বিধান সাপেক্ষে, কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে শূন্য পদে নিয়োগদান করিবে।

৬। বোর্ডের সভা

৬। (১) চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত সময় ও স্থানে বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) প্রতি ০৪ (চার) মাসে বোর্ডের অন্যূন একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) চেয়ারম্যান, বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন তবে তাহার অনুপস্থিতিতে তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন সদস্য এবং উক্তরূপভাবে ক্ষমতা প্রদান না করা হইয়া থাকিলে উক্ত সভায় উপস্থিত সদস্যবৃন্দ কর্তৃক নির্বাচিত ব্যক্তি সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।

(৪) মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হইবে, তবে মুলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরাম প্রয়োজন হইবে না।

(৫) বোর্ডের সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সভার সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে ভোটের সমতার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান বা ক্ষেত্রমত, সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের একটি দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।

(৬) বোর্ডের সভায় কোন সদস্য তাহার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন বিষয়ে ভোট প্রদান করিতে পারিবেন না।

(৭) শুধুমাত্র কোন সদস্যপদের শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।

৭। চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অযোগ্যতা

৭। কোন ব্যক্তি বোর্ডের চেয়ারম্যান বা সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি—

(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন;

(খ) পরিষদ বা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন কোন প্রতিষ্ঠানের কোন পদে অধিষ্ঠিত থাকেন;

(গ) শারীরিক বা মানসিক অসামর্থের কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন;

(ঘ) কোন উপযুক্ত আদালত কর্তৃক মানসিক বিকারগ্রস্ত বলিয়া ঘোষিত হন;

(ঙ) দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;

(চ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপী হিসেবে উক্ত ব্যাংক, প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ব্যাংক বা আদালত কর্তৃক ঋণ খেলাপী ঘোষিত হন;

(ছ) নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারী অপরাধের দায়ে উপযুক্ত আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন ৬ (ছয়) মাস বা তদুর্দ্ধ মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, এবং উক্তরূপ দণ্ড হইতে মুক্তিলাভের পর ৫ (পাঁচ) বৎসর অতিক্রান্ত না হয়; বা

(জ) কোন সময়ে সরকারি চাকুরির অযোগ্য বলিয়া ঘোষিত হন বা সরকারি চাকুরি হইতে বরখাস্ত হন।

৮। চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের দায়িত্ব ও কার্যাবলী

৮। (১) চেয়ারম্যান পরিষদের প্রধান নির্বাহী হইবেন এবং তিনি এই আইনের অধীন এবং সরকার কর্তৃক সময় সময় প্রদত্ত সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী পরিষদের প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও কার্যাদি পরিচালনার জন্য দায়ী থাকিবেন।

(২) চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যগণ এই আইনের অধীন এবং বোর্ড কর্তৃক নির্দেশিত ও অর্পিত ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ ও দায়িত্ব সম্পাদন করিবেন।

৯। উপদেষ্টা পরিষদ

৯। (১) সরকার, পরিষদকে সাধারণ দিক নির্দেশনা প্রদান ও পরিষদের কার্যাবলী তত্ত্বাবধানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করিবে, যথা :-

(ক) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;

(খ) সচিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, যিনি ইহার সহ-সভাপতিও হইবেন;

(গ) বোর্ডের চেয়ারম্যান, যিনি ইহার সহ-সভাপতিও হইবেন;

(ঘ) বোর্ডের সকল সদস্য;

(ঙ) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(চ) শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(ছ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(জ) অর্থ বিভাগ কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(ঝ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(ঞ) কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(ট) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(ঠ) জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(ড) বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(ঢ) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা;

(ণ) সরকার কর্তৃক মনোনীত কোন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক পদমর্যাদার দুইজন কর্মকর্তা;

(ত) সরকার কর্তৃক মনোনীত দুইজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী বা প্রযুক্তিবিদ;

(থ) বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত দুইজন পরিচালক;

(দ) পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক মনোনীত বিভাগীয় প্রধান পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;

(ধ) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন অধ্যাপক;

(ন) ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি কর্তৃক মনোনীত দুইজন প্রতিনিধি;

(প) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন কর্তৃক মনোনীত একজন কর্মকর্তা;

(ফ) পরিষদের সচিব, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।

(২) ধারা ৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মনোনীত কোন সদস্যের সদস্য পদের মেয়াদ হইবে উক্ত পদে তাহার মনোনয়নের তারিখ হইতে ২(দুই) বৎসর এবং কোন মনোনীত সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান সত্ত্বেও মনোনয়ন প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ যে কোন সময় উহার প্রদত্ত কোন মনোনয়ন বাতিল করিয়া উপযুক্ত কোন ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে মনোনয়ন প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) বোর্ড, প্রয়োজন মনে করিলে, সময় সময়, আদেশ দ্বারা উপদেষ্টা পরিষদের পরিধি বৃদ্ধি করিতে পারিবে।

১০। পরিষদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী

১০। পরিষদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

(ক) শিল্পের প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং সরকার কর্তৃক নির্দেশিত বিষয়াবলি বাস্তবায়নকল্পে বিজ্ঞান, শিল্প ও প্রযুক্তি গবেষণার প্রবর্তন, উন্নয়ন ও দিক নির্দেশনা প্রদান;

(খ) বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরীক্ষাগার, ইনস্টিটিউট ও সংগঠন প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণ এবং উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ;

(গ) আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠিত ও অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞান, শিল্প ও প্রযুক্তি গবেষণা কর্মসূচী ও প্রকল্পের জন্য সহায়ক অনুদান প্রদান;

(ঘ) বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য কোন গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত গবেষণা কর্ম হইতে উদ্ভূত আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের বাণিজ্যিক ব্যবহারের পদক্ষেপ গ্রহণ;

(ঙ) পরিষদের আওতাধীন গবেষণা কাজে ফেলোশিপ প্রবর্তন ও প্রদান;

(চ) বিজ্ঞান, শিল্প ও প্রযুক্তি বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ এবং উক্ত বিষয়সমূহের উপর বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ, প্রতিবেদন ও সাময়িকী প্রকাশকরণ;

(ছ) শিল্প ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় উৎসাহ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ;

(জ) অন্যান্য দেশের বিজ্ঞান, শিল্প ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপন;

(ঝ) পরিষদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ইনস্টিটিউট ও গবেষণাগারে উদ্ভাবিত গবেষণা প্রক্রিয়ার পেটেন্ট গ্রহণ এবং উহা শিল্প প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ;

(ঞ) গ্রন্থাগার, সংগ্রহশালা, পরীক্ষামূলক বাগান ও ঔষধিশালা প্রতিষ্ঠাকরণ;

(ট) এই আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য অন্যান্য কার্য ও বিষয়াদি সম্পাদন।

১১। উপদেষ্টা পরিষদের সভা

১১। (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, উপদেষ্টা পরিষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) উপদেষ্টা পরিষদের সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, বছরে কমপক্ষে উহার দুইটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে: আরো শর্ত থাকে যে, জরুরী প্রয়োজনে স্বল্প সময়ের নোটিশে সভা আহবান করা যাইবে।

(৩) উপদেষ্টা পরিষদের সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার ন্যূনতম এক তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মুলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।

(৪) উপদেষ্টা পরিষদের সভার পদ্ধতি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে এবং এইরূপ প্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত উপদেষ্টা পরিষদ সভা অনুষ্ঠানের স্বীয় পদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।

১২। সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী

১২। (১) পরিষদের একজন সচিব থাকিবেন, যিনি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শর্তাধীনে নিযুক্ত হইবেন।

(২) সচিব এই আইনের অধীন, বোর্ড ও চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্দেশিত এবং অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাদি সম্পাদন করিবেন।

(৩) সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামোর আলোকে পরিষদ উহার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) বিশেষ মেধা ও যোগ্যতার অধিকারী গবেষকগণকে গবেষণা কর্মে আকৃষ্ট ও উৎসাহিত করণ এবং তাহাদের মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা গবেষণার কাজে যথাযথভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে তাহাদের চাকুরির বয়সসীমা হইবে ৬৭ (সাতষট্টি) বছর।

(৫) সচিব এবং পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও চাকুরীর শর্তাদি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

১৩। বিজ্ঞান কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা

১৩। (১) পরিষদ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, পরিষদের চাহিদা ও পরিকল্পনা মোতাবেক, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, একটি বিজ্ঞান কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করিবে।

(২) নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানে উৎসাহিতকরণ, তরুন বিজ্ঞানী ও গবেষকদের চাহিদা পূরণ এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের অনুসন্ধিৎসা পূরণের লক্ষ্যে, পরিষদ, উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান কেন্দ্রে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, ধারা ১৭ এ উল্লিখিত তথ্য ভাণ্ডার, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনীর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(৩) পরিষদ, মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চা তথা বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে ভাষাগত সমস্যা দূরীকরণার্থ, বাংলা একাডেমী এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সাথে পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে, উপ-ধারা (২) এর উদ্দেশ্যের সহিত সঙ্গতিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিজ্ঞান পুস্তক, ম্যাগাজিন, জার্নাল, গবেষণাপত্র, ইত্যাদির বাংলা অনুবাদ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।

১৪। পরিষদের তহবিল

১৪। (১) পরিষদের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে অর্থ জমা হইবে, যথা:-

(ক) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান ও ঋণ;

(খ) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, কোন বিদেশী সরকার, সংস্থা বা আন্তর্জাতিক সংস্থার নিকট হইতে প্রাপ্ত অনুদান;

(গ) বোর্ডের সম্পত্তি বিনিয়োগ হইতে আহরিত আয়;

(ঘ) এই আইনের অধীন আহরিত ফি বা সেস;

(ঙ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(চ) কোন বেসরকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(ছ) পরিষদের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা হইতে অর্জিত আয়;

(জ) গবেষণা উদ্যোগ হইতে প্রাপ্ত আয়; এবং

(ঝ) সরকার কর্তৃক অনুমোদিত অন্য কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ।

(২) তহবিলের অর্থ, পরিষদের নামে, বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত কোন তফসিলী ব্যাংকে জমা রাখা হইবে এবং পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল হইতে অর্থ উত্তোলন করা যাইবে।

(৩) তহবিল হইতে সরকারের নিয়মনীতি, বিধি-বিধান অনুসরণক্রমে পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করিবে।

(৪) চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে বোর্ডের সদস্য (অর্থ) ও পরিচালক (অর্থ) এর যৌথ স্বাক্ষরে তহবিলের হিসাব পরিচালিত হইবে। ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে তফসিলী ব্যাংক’’ অর্থ Bangladesh Bank Order, 1972 (P.O. 127 of 1972) এর Article 2(j) তে সংজ্ঞায়িত কোন ‘‘Scheduled Bank’’

১৫। বিশেষজ্ঞ কমিটি

১৫। (১) পরিষদ, ইহার নিজস্ব এক বা একাধিক গবেষণাগার, প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্র বা গবেষণা ইউনিটের কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদনের সহায়তা প্রদানের জন্য, বোর্ডের অনুমোদনক্রমে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করিতে পারিবে।

(২) বিশেষজ্ঞ কমিটির দায়িত্ব, ক্ষমতা, মেয়াদ, সম্মানী, কার্য-পরিধি এবং অন্যান্য শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

১৬। প্রযুক্তিগত পরামর্শ ও চুক্তি, ইত্যাদি

১৬। পরিষদ যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিল্প গবেষণা বা অনুসন্ধান বিষয়ক পরামর্শ প্রদান এবং উক্তরূপ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহিত প্রয়োজনীয়রূপে চুক্তি সম্পাদন করিতে পারিবে।

১৭। বিজ্ঞানী, গবেষক ও প্রযুক্তিবিদ অনুসন্ধান

১৭। (১) পরিষদ, অনুসন্ধানের মাধ্যমে দেশে বিদ্যমান বিজ্ঞানী, গবেষক ও প্রযুক্তিবিদ সম্পর্কে একটি তথ্য ভাণ্ডার প্রস্ত্তত করিবে এবং উক্ত বিষয়ে সরকারকে অবহিত রাখিবে।

(২) পরিষদ, দেশে বিরাজমান বিজ্ঞান, শিল্প এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত তথ্যভাণ্ডার প্রস্ত্তত করিবে এবং উক্ত বিষয়ে সরকারকে অবহিত রাখিবে।

(৩) পরিষদ, উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন প্রস্ত্ততকৃত তথ্যভাণ্ডার সকল বিজ্ঞান, শিল্প এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং দেশের সকল বিজ্ঞানী, গবেষক ও প্রযুক্তিবিদদের জন্য সহজলভ্য করিবার উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।

১৮। বিজ্ঞানী, গবেষক ও প্রযুক্তিবিদ সৃজনে সহায়তা ও ফেলোশিপ প্রদান

১৮। (১) ধারা ১০ এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে পরিষদ, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ হইতে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে সাফল্য ও কৃতিত্বের সাথে ডিগ্রী অর্জনকারী ব্যক্তিদের বিজ্ঞানী, গবেষক এবং প্রযুক্তিবিদ হিসাবে গড়িয়া তুলিবার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহায়তা, গবেষণাগার ব্যবহারের সুযোগ এবং ফেলোশিপ প্রদান করিবে।

(২) আইনের ধারা ১০ এর উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিজ্ঞান বিষয়সমূহ যে সকল স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে পাঠদান করা হয় পরিষদ ঐ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের সাথে উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করিবে।

(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, পরিষদ, উহার মোট রিসার্চ বাজেটের অন্যূন এক-চতুর্থাংশ ব্যয় বরাদ্দ প্রদান করিবে।

১৯। গবেষণাগারসমূহের প্রশাসন

১৯। (১) পরিষদের আওতাধীন কোন গবেষণাগার, প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্র বা গবেষণা ইউনিট পরিচালনার জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে একজন পরিচালক নিযুক্ত করা যাইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন নিযুক্ত কোন পরিচালক আইনের আলোকে বোর্ড ও চেয়ারম্যান কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য-সম্পাদন করিবেন।

২০। বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও উচ্চ শিক্ষা

২০। (১) পরিষদ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের জন্য সরকারের বিধিবিধান অনুসরণ করিয়া প্রয়োজনীয় বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও উচ্চ শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(২) কোন বিজ্ঞানী বা গবেষক বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত কোন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রশিক্ষণ বা গবেষণার জন্য মনোনীত হইলে এবং উক্তক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হইলে পরিষদ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উহার সমুদয় বা অংশবিশেষ প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পরিষদ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বিজ্ঞান গবেষণায় অগ্রসর রাষ্ট্র এবং অগ্রণী প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে প্রশিক্ষণ এবং প্রশিক্ষক সহায়তা প্রদান সম্পর্কিত চুক্তি স্বাক্ষরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করিতে পারিবে।

২১। প্রযুক্তি আবিষ্কার ও উদ্ভাবন প্রদর্শনী, বিজ্ঞান মেলা, ইত্যাদির আয়োজন

২১। (১) পরিষদ, প্রতি বছর এক বা একাধিক প্রযুক্তি আবিষ্কার ও উদ্ভাবন প্রদর্শনীর বা বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করিবে।

(২) প্রযুক্তি আবিষ্কার ও উদ্ভাবন প্রদর্শনীর বা বিজ্ঞান মেলার প্রদর্শিত কোন আবিষ্কার বা উদ্ভাবন বাংলাদেশের বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা বা অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা পালনে সক্ষম বিবেচিত হইলে পরিষদ উক্তরূপ আবিষ্কার বা উদ্ভাবনের সর্বোত্তম ব্যবহারে উদ্যোগী হইবে।

(৩) কোন আবিষ্কার বা উদ্ভাবক প্রদর্শনী বা মেলায় অংশগ্রহণ না করিয়া উহা শুধু পরিষদের কোন বিশেষজ্ঞ দলের সম্মুখে উপস্থাপনের ইচ্ছা ব্যক্ত করিতে পারিবে এবং এইক্ষেত্রে তাহার ইচ্ছানুযায়ী পরিষদ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।

(৪) এই ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

২২। বিষয়ভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণ

২২। (১) উদ্ভূত কোন সমস্যা নিরসন এবং রাষ্ট্রীয় বা জনস্বার্থে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হইতে পারে এইরূপ কোন বিষয়ে কোন আবিষ্কার বা প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য পরিষদ উক্ত বিষয়ে প্রকল্পভিত্তিক গবেষক নিয়োগ করিতে পারিবে।

(২) পরিষদ, নিজস্ব জনবল দ্বারা সক্ষম না হইলে, উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উন্মুক্তভাবে দেশব্যাপী গবেষক বা প্রযুক্তিবিদ অনুসন্ধানপূর্বক তাকে উক্ত কাজের দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।

(৩) পরিষদ, দেশে উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্যপূরণে সক্ষম কোন গবেষক বা প্রযুক্তিবিদ না পাওয়া গেলে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং নির্ধারিত শর্তে, বিদেশী কোন গবেষক বা প্রযুক্তিবিদ বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে উক্ত দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।

(৪) দেশের কোন বিজ্ঞানী, গবেষক বা প্রযুক্তিবিদ নতুন কোন আবিষ্কার, গবেষণা বা প্রযুক্তি উদ্ভাবনে নিয়োজিত হইলে তিনি উক্ত বিষয়ে আর্থিক সহায়তার জন্য পরিষদ বরাবর প্রকল্পের সম্ভাব্য আর্থিক ব্যয় উল্লেখপূর্বক কারিগরি প্রস্তাব উপস্থাপন করিতে পারিবেন এবং এইরূপ ক্ষেত্রে সার্বিক বিষয়াদি বিবেচনা করিয়া পরিষদ, বোর্ডের অনুমোদনক্রমে, তদ্‌বরাবর প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা মঞ্জুর করিতে পারিবে।

২৩। শিল্প ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদান

২৩। কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বা পরিষদের সহিত সম্পর্কযুক্ত অন্যকোন বিষয়ে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পরিষদের সহায়তা প্রত্যাশী হইলে পরিষদ উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফি গ্রহণপূর্বক বা ফি ব্যতিরেকে, সম্ভব সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করিবে।

২৪। আবিষ্কার ও উদ্ভাবন

২৪। প্রক্রিয়াগত, সরঞ্জামাদি ও যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে পরিষদের কোন কর্মকর্তা বা অন্য কোন কর্মচারী বা পরিষদের মঞ্জুরীপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তির আবিষ্কার, উদ্ভাবন বা উন্নয়ন পরিষদের নিজস্ব সম্পদ বলিয়া গণ্য হইবে।

২৫। ফি, ইত্যাদি

২৫। (১) পরিষদ ধারা ১৭ এর অধীন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিল্প গবেষণা বা অনুসন্ধান বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করিবার জন্য বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত হারে ফি আদায় করিতে পারিবে।

(২) যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ধারা ২৩ এর অধীন পরিষদের কোন কর্মকর্তা বা অন্য কোন কর্মচারী বা পরিষদের মঞ্জুরী প্রাপ্তিকালীন অন্য কোন ব্যক্তির আবিষ্কার, উদ্ভাবন বা উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে ও ফি বা রয়্যালটি প্রদান সাপেক্ষে ব্যবহার করিতে পারিবে।

২৬। পুরস্কার, রয়্যালটি, ইত্যাদি

২৬। (১) পরিষদের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী বা পরিষদের পক্ষে কাজ করেন এমন কোন ব্যক্তি প্রক্রিয়াগত, সরঞ্জামাদি ও যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে কোন বিশেষ আবিষ্কার, উদ্ভাবন বা উন্নয়ন করিলে, পরিষদ সরকারের সহিত পরামর্শক্রমে, উক্ত ব্যক্তিকে নগদ পুরস্কার, রয়্যালটির অংশ বা পরামর্শ ফি প্রদান করিতে পারিবে।

(২) সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন সরকারি চাকুরিজীবী এইরূপ নগদ পুরস্কার, রয়্যালটির অংশ বা পরামর্শ ফি গ্রহণ করিতে পারিবেন না।

২৭। ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা

২৭। পরিষদ, এই আইনের অধীন ইহার কার্যাবলী সম্পাদনের নিমিত্ত, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উৎস হইতে প্রয়োজনীয় ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবে এবং প্রযোজ্য শর্তাবলীর অধীন উক্ত ঋণ পরিশোধের জন্য পরিষদ দায়ী থাকিবে।

২৮। বাজেট

২৮। বোর্ড, প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বৎসরে সরকারের নিকট হইতে পরিষদের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকিবে।

২৯। হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা

২৯। (১) পরিষদ উহার আয়-ব্যয়ের যথাযথ হিসাব রক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্ত্তত করিবে।

(২) বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর মহা-হিসাব নিরীক্ষক হিসাবে অভিহিত) প্রতি বৎসর পরিষদের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং তিনি প্রয়োজনে অনুমোদিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিষদের বাৎসরিক হিসাবের নিরীক্ষা কার্য সম্পাদন করাইতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নিরীক্ষা কার্য সম্পাদনের লক্ষ্যে মহা-হিসাব নিরীক্ষক বা তদ্‌কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা বা অনুমোদিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিষদের সকল রেকর্ড, বই, দলিল, ক্যাশ বই, নথি, স্টোর, নগদ অর্থ ও ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য সম্পত্তি পরীক্ষা করিতে পারিবেন এবং পরিষদের যে কোন সদস্য, কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।

(৪) মহা-হিসাব নিরীক্ষক, ক্ষেত্রমত, অনুমোদিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিরীক্ষা শেষ হইবার পর যতদ্রুত সম্ভব, পরিষদে তাহার নিরীক্ষা প্রতিবেদন পেশ করিবেন এবং পরিষদ উহা প্রয়োজনীয় মন্তব্যসহ সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কোন ত্রুটি বা অনিয়মের উল্লেখ থাকিলে পরিষদ উহা তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধনের পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

৩০। প্রতিবেদন, ইত্যাদি

৩০। (১) পরিষদ, সরকারের চাহিদা মোতাবেক, সময় সময় সরকারের নিকট প্রতিবেদন পেশ করিবে।

(২) অর্থ বৎসর শেষ হইবার পর পরিষদ যতদ্রুত সম্ভব উক্ত বৎসরের নিজস্ব কার্য পরিচালনার উপর বার্ষিক প্রতিবেদনসহ নিরীক্ষিত হিসাবের বিবরণ প্রস্ত্তত করিয়া সরকারের নিকট পেশ করিবে।

৩১। ক্ষমতা অর্পণ

৩১। বোর্ড লিখিত আদেশের মাধ্যমে কারণ উল্লেখপূর্বক এই আইনের অধীন উহার উপর অর্পিত যে কোন ক্ষমতা, প্রয়োজনবোধে এবং নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে, পরিষদের কোন সদস্য বা অন্যকোন কর্মকর্তার নিকট অর্পণ করিতে পারিবে।

৩২। গোপনীয়তার ঘোষণা

৩২। (১) চেয়ারম্যান, বোর্ডের সকল সদস্য, বিশেষজ্ঞ কমিটির সকল সদস্য এবং পরিষদের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী স্বীয় দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে লিখিতভাবে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করিবেন যে, বোর্ডের পূর্বানুমোদন ব্যতীত পরিষদের কার্যাবলী সংক্রান্ত কোন তথ্য বা পরিষদে সংরক্ষিত বা ন্যস্ত কোন দলিলের তথ্য কাহারো নিকট প্রকাশ করিবেন না।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন ব্যক্তি প্রদত্ত ঘোষণার শর্ত ভঙ্গ করিলে তাহার বিরুদ্ধে বিধি দ্বারা নির্ধারিত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

৩৩। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৩৩। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

৩৪। প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

৩৪। বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা বিধির সহিত উহা অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।

৩৫। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ

৩৫। (১) এই আইন প্রবর্তনের পর, সরকার, যথাশীঘ্র সম্ভব, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের মূল বাংলা পাঠের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।

(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

৩৬। রহিতকরণ ও হেফাজত

৩৬। (১) Bangladesh Council of Scientific and Industrial Research Ordinance, 1978 (Ord. No. V of 1978), অতঃপর উক্ত অধ্যাদেশ বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্‌দ্বারা রহিত করা হইল।

(২) উক্ত অধ্যাদেশ রহিত হইবার সংগে সংগে,-

(ক) উহার অধীন প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Council of Scientific and Industrial Research, অত:পর বিলুপ্ত কাউন্সিল বলিয়া উল্লিখিত, বিলুপ্ত হইবে;

(খ) বিলুপ্ত কাউন্সিলের সকল সম্পদ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব এবং সুবিধা, ফি, তহবিল এবং স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পত্তি, নগদ অর্থ এবং ব্যাংক জমা ও সিকিউরিটিসহ তহবিল এবং এইরূপ বিষয় সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত বা বিষয় সম্পত্তি হইতে উদ্ভূত অন্যান্য যাবতীয় অধিকার, মেধা-স্বত্ব ও স্বার্থ এবং সকল হিসাব বই, রেজিস্টার, রেকর্ডপত্র এবং এইসব সংক্রান্ত অন্যান্য সকল দলিল-দস্তাবেজ পরিষদে হস্তান্তরিত এবং পরিষদ উহার অধিকারী হইবে;

(গ) বিলুপ্ত কাউন্সিলের সকল ঋণ, দায় ও দায়িত্ব এবং উহার দ্বারা, উহার পক্ষে বা উহার সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি যথাক্রমে পরিষদের ঋণ, দায় ও দায়িত্ব পরিষদের ঋণ, দায় ও দায়িত্ব এবং উহার দ্বারা, উহার পক্ষে বা সহিত সম্পাদিত চুক্তি বলিয়া গণ্য হইবে;

(ঘ) বিলুপ্ত কাউন্সিল কর্তৃক বা উহার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা বা সূচিত অন্য কোন আইনগত কার্যধারা পরিষদ কর্তৃক বা উহার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বা সূচিত মামলা বা কার্যধারা বলিয়া গণ্য হইবে;

(ঙ) কোন চুক্তি, দলিল বা চাকুরির শর্তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিলুপ্ত কাউন্সিলের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী হইবেন এবং এই আইন প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে তাহারা যে শর্তাধীনে চাকুরিতে নিয়োজিত ছিলেন, তাহারা এই আইনের বিধান অনুযায়ী পরিবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত, সেই একই শর্তে পরিষদের চাকুরিতে নিয়োজিত থাকিবেন;

(চ) বিলুপ্ত কাউন্সিলের অধীন প্রতিষ্ঠিত শাখা, পরীক্ষাগার, ইনস্টিটিউট ও সংগঠন পরিষদের অধীন প্রতিষ্ঠিত শাখা, পরীক্ষাগার, ইনস্টিটিউট ও সংগঠন হিসাবে গণ্য হইবে এবং কার্যকর থাকিবে।

(৩) উক্ত অধ্যাদেশ রহিত হওয়া সত্ত্বেও উহার অধীন প্রণীত কোন বিধি, প্রবিধানমালা, জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, প্রদত্ত কোন আদেশ, নির্দেশ, অনুমোদন, সুপারিশ, গৃহীত সকল পরিকল্পনা বা কার্যক্রম, অনুমোদিত সকল বাজেট এবং কৃত সকল কাজকর্ম উক্তরূপ রহিতের অব্যবহিত পূর্বে বলবৎ থাকিলে এবং এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে এই আইনের অনুরূপ বিধানের অধীন প্রণীত, জারীকৃত, প্রদত্ত, অনুমোদিত এবং কৃত বলিয়া গণ্য হইবে, এবং মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অথবা এই আইনের অধীন রহিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত, বলবৎ থাকিবে।



Related Laws

বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন

Bangladesh Veterinary Practitioners Ordinance, 1982 রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার…

বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ আইন

বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ প্রতিষ্ঠা এবং এতদ্‌সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক…

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন

ইপিজেডস্থ বা জোনস্থ শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক নিয়োগ, মালিক ও শ্রমিকের…

বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন

রিহ্যাবিলিটেশন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা কার্যক্রম বা পাঠ্যক্রমের…

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন

Fisheries Research Institute Ordinance, 1984 রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার…

Share your thoughts on this law