Your password is being change. Please wait ...

গণভোট আইন

Volume - 29 Act - ২৫ Year - ১৯৯১ Date - ১০ আগস্ট, ১৯৯১

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্ত্মাবনার অথবা ৮, ৪৮, ৫৬, ৫৮, ৮০, ৯২ক বা ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধনের ব্যবস্থা করিয়া কোন বিল উক্ত সংবিধানের ১৪২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে গৃহীত হইবার পর উহাতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিবেন কি করিবেন না এই প্রশ্নটি যাচাইয়ের জন্য গণভোটের বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন৷

যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্ত্মাবনার অথবা ৮, ৪৮, ৫৬, ৫৮, ৮০, ৯২ক বা ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধনের ব্যবস্থা করিয়া কোন বিল উক্ত সংবিধানের ১৪২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে গৃহীত হইবার পর উহাতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিবেন কি করিবেন না এই প্রশ্নটি যাচাইয়ের জন্য সংবিধানের ১৪২(১ক) অনুচেছদ মোতাবেক গণভোটের বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা

১৷ এই আইন গণভোট আইন, ১৯৯১ নামে অভিহিত হইবে৷

২৷ সংজ্ঞা

২৷ বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,- (ক) “কমিশন” অর্থ সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত নির্বাচন কমিশন; (খ) “গণ-ভোট” অর্থ এই আইনের অধীন অনুষ্ঠিতব্য গণ-ভোট; (গ) “প্রিজাইডিং অফিসার” অর্থ ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগকৃত কোন প্রিজাইডিং অফিসার এবং প্রিজাইডিং অফিসারের ক্ষমতা প্রয়োগ এবং দায়িত্ব পালনকারী কোন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; (ঘ) “পোলিং অফিসার” অর্থ ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগকৃত কোন পোলিং অফিসার; (ঙ) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি; (চ) “ভোটার তালিকা” অর্থ Electoral Rolls Ordinance, 1982 (LXI of 1982) এর অধীন প্রস্তুতকৃত বা প্রস্তুতকৃত বলিয়া গণ্য কোন ভোটার তালিকা; (ছ) “ভোটার” অর্থ ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন ব্যক্তি; (জ) “রিটার্নিং অফিসার” অর্থ ধারা ৪ এর অধীন নিয়োগকৃত রিটার্নিং অফিসার; (ঝ) “সহকারী রিটার্নিং অফিসার” অর্থ ধারা ৪ এর অধীন নিয়োগকৃত কোন সহকারী রিটার্নিং অফিসার৷

৩৷ কমিশন কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারী

৩৷ সংবিধানের ১৪২(১ক) অনুচ্ছেদ মোতাবেক গণভোট অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে কমিশন সরকারী গেজেটে একটি প্রজ্ঞাপন জারী করিয়া গণভোটের তারিখ নির্ধারণ করিবে: তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত তারিখ এমনভাবে নির্ধারণ করা হইবে যাহাতে উক্ত প্রজ্ঞাপন জারীর তারিখ হইতে ৪০ দিনের মধ্যে গণভোট অনুষ্ঠান করা যায়৷

৪৷ রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ

৪৷ (১) গণভোট অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে কমিশন একজন রিটার্নিং অফিসার এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করিবে এবং তাহাদের প্রত্যেকের অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিবে৷ (২) প্রত্যেক সহকারী রিটার্নিং অফিসার, কমিশনের নির্দেশ সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন তাঁহার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সহায়তা প্রদানের জন্য তাহার অধিক্ষেত্রের এলাকায় এক বা একাধিক সহায়তাকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করিতে পারিবেন৷

৫৷ ভোটকেন্দ্র

৫৷ (১) প্রত্যেক সহকারী রিটার্নিং অফিসার, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ সাপেক্ষে, তাঁহার অধিক্ষেত্রের এলাকায় গণভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থা করিবে৷ (২) প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে পুরুষ ও মহিলা ভোটারদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক পৃথক পৃথক ভোটকক্ষের ব্যবস্থা থাকিবে৷ (৩) সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নহে এইরূপ স্থানকে ভোটকেন্দ্র হিসাবে নির্ধারণ করা যাইবে না৷

৬৷ প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ

৬৷ (১) সহকারী রিটার্নিং অফিসার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের জন্য একজন প্রিজাইডিং অফিসার এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করিবেন৷ (২) প্রিজাইডিং অফিসার এই আইন অনুযায়ী ভোট গ্রহণ কার্য পরিচালনা করিবেন এবং ভোটকেন্দ্রের শৃংখলা বজায় রাখার জন্য দায়ী থাকিবেন এবং তাঁহার মতে ভোট গ্রহণে নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হইতে পারে এইরূপ ঘটনা সম্পর্কে রিটার্নিং অফিসারকে অথবা সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করিবেন৷ (৩) প্রিজাইডিং অফিসারের কর্তব্য পালনে তাঁহাকে সহায়তা প্রদান করা প্রত্যেক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারের কর্তব্য হইবে৷ (৪) সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার প্রিজাইডিং অফিসারের সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন যে সকল ক্ষমতা ও দায়িত্ব কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত করিয়া দেওয়া হইবে বা প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক তাহার উপর অর্পণ করা হইবে৷ (৫) অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে প্রিজাইডিং অফিসার যদি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত না থাকেন বা তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হন, তাহা হইলে রিটার্নিং অফিসার অথবা সহকারী রিটার্নিং অফিসার সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের মধ্য হইতে একজনকে প্রিজাইডিং অফিসারের স্থলে কাজ করার ক্ষমতা অর্পণ করিবেন৷ (৬) ভোট গ্রহণ চলাকালীন যে কোন সময় সহকারী রিটার্নিং অফিসার, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, যে কোন প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার অথবা পোলিং অফিসারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃত অফিসারের দায়িত্ব পালনের জন্য তাহার বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন৷

৭৷ ভোটার এবং ভোটার তালিকা

৭৷ (১) যে সমস্ত ব্যক্তির নাম আপাততঃ বলবত্ ভোটার তালিকায় রহিয়াছে তাঁহারা গণভোটে ভোটদানের অধিকারী হইবেন৷ (২) সহকারী রিটার্নিং অফিসার প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে উক্ত কেন্দ্রে ভোটদানের অধিকারী ভোটারগণের নাম সম্বলিত প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটার তালিকা সরবরাহ করিবেন৷

৮৷ ভোট গ্রহণের সময়

৮৷ রিটার্নিং অফিসার, কমিশনের নির্দেশ সাপেক্ষে, ভোট গ্রহণের সময় নির্ধারণ করিবেন এবং উক্তরূপ নির্ধারিত সময় সম্পর্কে একটি গণ-বিজ্ঞপ্তি জারী করিবেন৷

৯৷ মুলতবী ভোটগ্রহণ

৯৷ (১) যদি প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোন কারণে ভোটগ্রহণ বাধাগ্রস্ত বা ব্যাহত হয়, তাহা হইলে তিনি ভোট গ্রহণ বন্ধ করিয়া দিবেন এবং তত্সম্পর্কে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করিবেন৷ (২) যে ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ করা হইয়াছে সেক্ষেত্রে সহকারী রিটার্নিং অফিসার অনতিবিলম্বে তত্সংক্রান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে কমিশনের নিকট প্রতিবেদন পেশ করিবেন এবং কমিশন যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, অন্যান্য ভোটকেন্দ্রের ফলাফল দ্বারা গণভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা যায় না, তাহা হইলে কমিশন উক্ত ভোটকেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করিবে৷ (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন কমিশন কোন ভোটকেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের নির্দেশ দিলে, সহকারী রিটার্নিং অফিসার যথাশীঘ্র সম্ভব ভোট গ্রহণের তারিখ, স্থান ও সময় নির্ধারণ করিয়া একটি গণ-বিজ্ঞপ্তি জারী করিবেন৷ (৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন গৃহীতব্য ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সকল ভোটারকে ভোট প্রদান করিতে দেওয়া হইবে এবং উপ-ধারা (১) এর অধীন ভোট গ্রহণের সময় প্রদত্ত কোন ভোট গণনা করা হইবে না৷

১০৷ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ

১০৷ এই আইনের অধীন গণভোট গোপন ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হইবে এবং কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত ব্যালটের মাধ্যমে প্রত্যেক ভোটার ভোটদান করিবেন৷

১১৷ ব্যালট বাক্স

১১৷ (১) সহকারী রিটার্নিং অফিসার প্রত্যেক প্রিজাইডিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যালট বাক্স সরবরাহ করিবেন৷ (২) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত, নির্ধারিত এবং সরবরাহকৃত ব্যালট বাক্স ভোট গ্রহণের জন্য ব্যবহার করিতে হইবে৷ (৩) ভোট গ্রহণকালে কোন ভোটকক্ষে একই সময়ে একাধিক ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাইবে না৷ (৪) ভোটগ্রহণ শুরু করার জন্য নির্ধারিত সময়ের অন্যুন অর্ধ ঘণ্টা পূর্বে প্রিজাইডিং অফিসার- (ক) নিশ্চয়তা বিধান করিবেন যে, ব্যবহৃতব্য ব্যালট বাক্সটি সম্পূর্ণ শূন্য; (খ) শূন্য ব্যালট বাক্সটি গালার সাহায্যে সীল করিবেন; (গ) ভোটারগণ যাহাতে সহজভাবে ভোটদান করিতে পারেন সেইভাবে ভোটকেন্দ্রে সকলের দৃষ্টিসীমার মধ্যে ব্যালট বাক্সটি স্থাপন করিবেন৷ (৫) একটি ব্যালট বাক্স ভরিয়া গেলে অথবা উহা আর ব্যবহার করা না গেলে প্রিজাইডিং অফিসার সেই ব্যালট বাক্সটি গালার দ্বারা সীল করিয়া নিরাপদ স্থানে রাখিবেন এবং অন্য একটি ব্যালট বাক্স উপ-ধারা (৪) এ বর্ণিত প্রণালী অনুযায়ী ব্যবহার করিবার জন্য স্থাপন করিবেন৷

১২৷ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ

১২৷ প্রিজাইডিং অফিসার, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে প্রদত্ত নির্দেশ সাপেক্ষে, একই সময়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করিতে পারিবে এমন ভোটারগণের সংখ্যা নির্ধারণ করিবেন এবং নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য সকল ব্যক্তিকে ভোটকেন্দ্র হইতে সরাইয়া দিবেন- (ক) ভোটগ্রহণের কাজে দায়িত্বরত যে কোন ব্যক্তি; (খ) ভোটারদের সনাক্তকরণের কাজে সহায়তাদানের দায়িত্ব পালনরত কোন ব্যক্তি; এবং (গ) কমিশন কর্তৃক সাধারণভাবে বা নির্দিষ্টভাবে অনুমতিপ্রাপ্ত অন্যান্য ব্যক্তি৷

১৩৷ ভোটকেন্দ্রের শৃংখলা রক্ষা

১৩৷ (১) কোন ব্যক্তি কোন ভোটকেন্দ্রে অসদাচরণ করিলে অথবা প্রিজাইডিং অফিসারের আইনানুগ কোন আদেশ পালনে ব্যর্থ হইলে, প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি তাহাকে ভোটকেন্দ্র হইতে অবিলম্বে অপসারণ করিতে পারিবেন এবং এইরূপে অপসারিত ব্যক্তি প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি ব্যতীত ভোটকেন্দ্রে পুনরায় প্রবেশ করিতে পারিবেন না৷ (২) উক্তরূপে অপসারিত ব্যক্তি ভোটকেন্দে যদি কোন অপরাধ করেন, তাহা হইলে তাহার বিরুদ্ধে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে যেইরূপে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় সেইরূপে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে৷ (৩) এই ধারার অধীন ক্ষমতা এমনভাবে প্রয়োগ করা যাইবে না যাহাতে ভোটদানের অধিকারী কোন ভোটার উক্ত ভোটকেন্দ্রে বা অন্য কোন ভোটকেন্দ্রে ভোটদানের সুযোগ হইতে বঞ্চিত হইতে পারেন৷

১৪৷ ভোটদান পদ্ধতি

১৪৷ (১) কোন ভোটার ভোট প্রদানের জন্য ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হইলে প্রিজাইডিং অফিসার ভোটদাতার পরিচিতি সম্পর্কে সন্তুষ্ট হইবার পর তাহাকে একটি ব্যালট পেপার এবং একটি সীলমোহর প্রদান করিবেন৷ (২) কোন ভোটারকে ব্যালট পেপার এবং সীলমোহর প্রদানের পূর্বে- (ক) ভোটার তালিকায় লিপিবদ্ধ তাহার ক্রমিক নম্বর এবং নাম ধরিয়া ডাকিতে হইবে; (খ) তাহার হাতের বৃদ্ধাংগুলি বা অন্য কোন আংগুলের উপর অমোচনীয় কালির একটি চিহ্ন প্রদান করিতে হইবে; (গ) তাহাকে ব্যালট পেপার প্রদান করা হইয়াছে বুঝাইবার জন্য ভোটার তালিকায় তাহার নামের বিপরীতে একটি টিক চিহ্ন ()দিতে হইবে; (ঘ) ব্যালট পেপারের উল্টো পিঠে সরকারী চিহ্ন সম্বলিত সীলমোহর দিতে হইবে এবং প্রিজাইডিং অফিসারকে উহাতে অনুস্বাক্ষর করিতে হইবে৷ (৩) যদি কোন ভোটার তাহার কোন আংগুলে অমোচনীয় কালির চিহ্ন গ্রহণ করিতে আপত্তি করেন অথবা তিনি ইতোমধ্যে অনুরূপ কোন চিহ্ন বা উহার অংশ বিশেষ ধারণ করেন, তাহা হইলে সেই ভোটারকে কোন ব্যালট পেপার প্রদান করা হইবে না৷ (৪) ব্যালট পেপার এবং উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সীলমোহর, অতঃপর উক্ত সীলমোহর বলিয়া উল্লিখিত, পাইবার পর ভোটার- (ক) সংগে সংগে ভোট প্রদানের জন্য সংরক্ষিত স্থানে যাইবেন; (খ) যে বিলের ব্যাপারে গণভোট অনুষ্ঠিত হইতেছে, সেই বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদান করিবেন কিনা এই প্রশ্নে হঁ্যা-সূচক ভোটদান করিতে চাহিলে তিনি ব্যালট পেপারে মুদ্রিত জাতীয় সংসদ ভবনের প্রতীকের ঘরে ভোটদানের জন্য উক্ত সীলমোহরের ছাপ দিবেন এবং একই প্রশ্নে না-সূচক ভোটদান করিতে চাহিলে ব্যালট পেপারে মুদ্রিত কাটাদাগ চিহ্নিত প্রতীকের ঘরে ভোটদানের জন্য উক্ত সীলমোহরের ছাপ দিবেন; (গ) ব্যালট পেপারে দফা (খ) তে উল্লিখিত পদ্ধতিতে ছাপ দিবার পর তিনি ব্যালট পেপারটি ভাঁজ করিয়া নির্ধারিত স্থানে রক্ষিত ব্যালট বাক্সে উহা প্রবেশ করাইবেন এবং অবিলম্বে ভোটকেন্দ্র ত্যাগ করিবেন৷ (৫) যেক্ষেত্রে কোন অন্ধ ভোটার অথবা দৈহিকভাবে অক্ষম কোন ভোটার তাহার কোন একজন সংগীর সহায়তা ছাড়া ভোট প্রদান করিতে অপারগ হন সেইক্ষেত্রে প্রিজাইডিং অফিসার তাহাকে অনুরূপ কোন ব্যক্তির সহায়তা প্রদানের অনুমতি প্রদান করিবেন এবং উহার ফলে অনুরূপ সহায়তায় এই আইনের অধীন একজন ভোটারের যাহা করা প্রয়োজনীয় বা করিতে পারেন তাহা করিতে পারিবেন৷ (৬) গণভোটে কোন ভোটার- (অ) একই ভোটকেন্দ্রে একাধিকবার ভোটদান করিতে পারিবেন না; অথবা (আ) একাধিক ভোটকেন্দ্রে ভোটদান করিতে পারিবেন না৷ (৭) যদি কোন ভোটার উপ-ধারা (৬) এর বিধান ভংগ করেন বা করিবার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে প্রিজাইডিং অফিসারের আদেশক্রমে তাঁহাকে ভোটকেন্দ্র হইতে অপসারণ করা হইবে এবং এইরূপ অপসারিত ব্যক্তিকে ভোটকেন্দ্রে পুনঃপ্রবেশের অনুমতি দেওয়া হইবে না৷

১৫৷ নষ্ট ব্যালট পেপার

১৫৷ (১) যদি কোন ভোটার অসাবধানতাবশতঃ তাহার ব্যালট পেপার এইরূপভাবে নষ্ট করেন যে, উহা একটি বৈধ ব্যালট পেপার হিসাবে ব্যবহার করা যায় না, তাহা হইলে তিনি প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট সন্তোষজনকভাবে তাহার অসাবধানতার বিষয় প্রমাণ করিয়া এবং তাহার নিকট নষ্ট ব্যালট পেপারটি ফেরত্ দিয়া অন্য একটি ব্যালট পেপার গ্রহণ করিতে পারিবেন৷ (২) প্রিজাইডিং অফিসার সংগে সংগে উপ-ধারা (১) এর অধীন ফেরত্ প্রদানকৃত ব্যালট পেপারটির চেক মুড়িতে উক্তরূপ নষ্ট হওয়া মর্মে তাহার মন্তব্য লিপিবদ্ধ করিয়া স্বীয় স্বাক্ষরে উহা বাতিল করিবেন৷

১৬৷ ভোটগ্রহণের সময় অতিবাহিত হইবার পর ভোটদান

১৬৷ ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হইবার পর, ভোটকেন্দ্রে বিধি দ্বারা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে লাইনে দণ্ডায়মান ভোটারগণ যাহারা ভোট প্রদান করে নাই অথচ ভোট প্রদানের জন্য অপেক্ষমান, তাহাদেরকে ব্যতীত, কোন ভোটারকে কোন ব্যালট পেপার ও সীলমোহর প্রদান করিবার অথবা ভোট প্রদানের অনুমতি দেওয়া হইবে না৷

১৭৷ ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পর অনুসরণযোগ্য পদ্ধতি

১৭৷ (১) ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হইবার অব্যবহিত পর অথবা ধারা ১৬তে উল্লিখিত উপস্থিত ও ভোটদানের জন্য অপেক্ষমান ব্যক্তিগণের, যদি কেহ থাকেন, সর্বশেষ ব্যক্তি ভোটদান করার সংগে সংগে প্রিজাইডিং অফিসার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন এর কোন সদস্য উপস্থিত থাকিলে তাহার বা তাহাদের অথবা, উল্লিখিত কোন সদস্য উপস্থিত না থাকিলে, প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক ঘটনাস্থলে মনোনীত অন্য কোন স্থানীয় গণ্যমান্য নাগরিকের উপস্থিতিতে- (ক) ব্যবহারকৃত ব্যালট বাক্স বা বাক্সগুলি খুলিয়া সমগ্র ব্যালট পেপার বাহির করিবেন; (খ) জাতীয় সংসদ ভবনের ছবির প্রতীকের উপর উক্ত সীলমোহরের ছাপ দেওয়া হইয়াছে এইরূপ ব্যালট পেপারসমূহ ও কাটাদাগ চিহ্নিত প্রতীকের উপর উক্ত সীলমোহরের ছাপ দেওয়া হইয়াছে এইরূপ ব্যালট পেপারসমূহ পৃথক করিবেন এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে গণনা করিবেন, তবে গণনা হইতে সেই সকল ব্যালট পেপার বাদ দিতে হইবে যে সকল ব্যালট পেপারে- (অ) উক্ত সীলমোহরের ছাপ দেওয়া হয় নাই এবং প্রিজাইডিং অফিসারের অনুস্বাক্ষর নাই; (আ) উক্ত সীলমোহর দ্বারা এইরূপভাবে ছাপ দেওয়া হইয়াছে যদ্বারা ভোটার কোন ঘরে ছাপ দিয়াছেন তাহা সুনির্দিষ্টভাবে বুঝা যায় না: তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সীলমোহরের ছাপের বেশী অংশ যে প্রতীকে পড়িবে ভোটার সেই প্রতীকে ছাপ দিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত সীলমোহরের ছাপ উভয় ঘরে সমানভাবে পড়িলে, সেই ভোট কোন প্রতীকে দেওয়া হয় নাই বলিয়া গণ্য হইবে৷ (২) প্রিজাইডিং অফিসার জাতীয় সংসদ ভবনের ছবির প্রতীকের উপর এবং কাটাদাগ চিহ্নিত প্রতীকের উপর উক্ত সীলমোহরের ছাপ দেওয়া ব্যালট পেপারসমূহ পৃথক পৃথক প্যাকেটে রাখিয়া প্যাকেটসমূহ গালার দ্বারা সীলমোহর করিবেন এবং প্রত্যেক প্যাকেটে রক্ষিত ব্যালট পেপারের সংখ্যা এবং কাগজপত্রাদির বিবরণ প্যাকেটের উপর লিপিবদ্ধ করিয়া প্রত্যায়ন করিবেন৷ (৩) প্রিজাইডিং অফিসার গণনা হইতে বাদ দেওয়া ব্যালট পেপারগুলি গণনা করিয়া পৃথক প্যাকেটে রাখিবেন এবং প্যাকেটটি গালার দ্বারা সীলমোহর করিবার পর প্যাকেটে রক্ষিত কাগজপত্রাদির বিবরণ প্যাকেটের উপর লিপিবদ্ধ করিয়া প্রত্যায়ন করিবেন৷ (৪) প্রিজাইডিং অফিসার ভোট গণনা সমাপ্ত হইবার অব্যবহিত পরে জাতীয় সংসদ ভবনের ছবির প্রতীকের উপর উক্ত সীলমোহরের ছাপ সম্বলিত হাঁ সূচক ব্যালট পেপারকে উক্ত বিলে সম্মতিসূচক এবং কাটাদাগ চিহ্নিত প্রতীকের উপর উক্ত সীলমোহরের ছাপ সম্বলিত না সূচক ব্যালট পেপারকে উক্ত বিলে অসম্মতিসূচক ভোট হিসাবে গণনা করিয়া উহার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে একটি বিবরণী প্রস্তুত করিবেন৷ (৫) এই ধারার বিধান অনুযায়ী ভোট গণনা সমাপ্ত হইবার পর প্রিজাইডিং অফিসার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ব্যালট পেপারের হিসাব বিবরণী প্রস্তুত করিবেন এবং উক্ত হিসাব বিবরণীতে নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি সন্নিবেশিত করিবেন, যথা: (ক) তাহাকে প্রদত্ত মোট ব্যালট পেপারের সংখ্যা; (খ) ব্যালট বাক্স হইতে প্রাপ্ত ও গণনাকৃত ব্যালট পেপারের সংখ্যা; (গ) অব্যবহৃত, নষ্ট ও বাতিলকৃত ব্যালট পেপারের সংখ্যা; এবং (ঘ) অবৈধ বা গণনা বহির্ভূত ব্যালট পেপারের সংখ্যা৷ (৬) প্রিজাইডিং অফিসার পৃথক পৃথক প্যাকেটে নিম্নবর্ণিত কাগজপত্রাদি গালার দ্বারা সীলমোহর করিবেন, যথা:- (ক) অব্যবহৃত ব্যালট পেপার; (খ) নষ্ট বা বাতিলকৃত ব্যালট পেপার; (গ) ভোটকেন্দ্রে ব্যবহৃত এবং চিহ্নিত ভোটার তালিকা; (ঘ) ব্যবহৃত ব্যালট পেপারের মুড়িপত্র; (ঙ) রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য কাগজপত্রাদি৷ (৭) পূর্ববর্তী উপ-ধারাসমূহের অধীন কার্যক্রম সমাপ্ত হইবার পর প্রিজাইডিং অফিসার তত্কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ভোট গণনার বিবরণী, ব্যালট পেপারের হিসাব বিবরণীর প্যাকেটসমূহ তত্সহ কমিশন কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য রেকর্ডপত্র সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নিকট প্রেরণ করিবেন৷

১৮৷ ফলাফল একীভূতকরণ

১৮৷ (১) প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট হইতে ধারা ১৭-এর বিধান মোতাবেক প্রস্তুতকৃত ভোট গণনার বিবরণী, ব্যালট পেপারের হিসাব বিবরণী ও অন্যান্য প্যাকেটসমূহ প্রাপ্তির পর সহকারী রিটার্নিং অফিসার, যদি স্থানীয় গণ্যমান্য নাগরিক উপস্থিত থাকেন সেক্ষেত্রে তাহার সম্মুখে, ভোট গণনার ফলাফল একীভূত করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, ফলাফল একীভূতকরণের পূর্বে সহকারী রিটার্নিং অফিসার গণনা-বহির্ভূত ব্যালট পেপারসমূহ পরীক্ষা করিয়া দেখিবেন এবং উহাদের মধ্যে কোন ব্যালট পেপার বৈধ বলিয়া তাহার নিকট প্রতীয়মান হইলে উহা বৈধ ভোটের সহিত যোগ করিবেন: আরও শর্ত থাকে যে, যদি কোন ভোটকেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখা হয় সেক্ষেত্রে সহকারী রিটার্নিং অফিসার বন্ধ ঘোষিত ভোটকেন্দ্রের ফলাফলের অপেক্ষা না করিয়া বাকী ভোটকেন্দ্র সমূহের ফলাফল একীভূত করিবেন৷ (২) সহকারী রিটার্নিং অফিসার যে সকল ভোট বাতিল করিবেন সেইগুলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত ফরমে লিপিবদ্ধ করিয়া পৃথক প্যাকেটে রাখিবেন৷ (৩) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত পদ্ধতিতে ফলাফল একীভূতকরণের পর সহকারী রিটার্নিং অফিসার বিধিদ্বারা নির্ধারিত ফরমে ভোট গণনার ফলাফল রিটার্নিং অফিসারের নিকট প্রেরণ করিবেন৷ (৪) ফলাফল একীভূতকরণের উদ্দেশ্যে যে সমস্ত বিবরণী ও প্যাকেটসমূহ সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে খুলিতে হইবে, ফলাফল একীভূতকরণের বিবরণী প্রস্তুত করিবার পর তিনি সেই সমস্ত বিবরণী ও প্যাকেটসমূহ পূর্ববত্ গালা দ্বারা পুনরায় সীলমোহর করিবেন৷

১৯৷ ফলাফল একীভূতকরণ এবং ঘোষণা

১৯৷ (১) ফলাফল একীভূতকরণের বিবরণী ধারা ১৮ অনুযায়ী সহকারী রিটার্নিং অফিসারগণের নিকট হইতে প্রাপ্তির সংগে সংগে রিটার্নিং অফিসার প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে বিধিদ্বারা নির্ধারিত ফরমে ফলাফল একীভূত করিবেন এবং বন্ধ ঘোষিত ভোটকেন্দ্রের ফলাফল, যদি থাকে, ব্যতীত অন্যান্য ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে গণভোটের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণ করা সম্ভব হইলে, বন্ধ ঘোষিত ভোটকেন্দ্রের পুনঃনির্বাচন না করিয়াই তিনি গণভোটের ফলাফল একীভূত করিয়া বিধিদ্বারা নির্ধারিত ফরমে ফলাফল বিবরণী প্রস্তুত করিবেন৷ (২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী গণভোটের ফলাফলের বিবরণী প্রস্তুত করিবার পর রিটার্নিং অফিসার প্রস্তুতকৃত ফলাফলের বিবরণী কমিশনের নিকট দাখিল করিবেন৷ (৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত ফলাফলের বিবরণী রিটার্নিং অফিসারের নিকট হইতে প্রাপ্তির পর কমিশন উক্ত ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রকাশ করিবে এবং রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করিবে৷

২০৷ নির্বাচন কমিশনের আদেশ জারী করার ক্ষমতা

২০৷ সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতা এবং এই আইন ও বিধির বিধানাবলী অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কমিশন, উহার মতে, প্রয়োজনীয় যে কোন নির্দেশাবলী জারী এবং উহার অধীনস্থ যে কোন কর্মকর্তা কর্তৃক এই আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত যে কোন আদেশ ও নির্দেশ পুনর্বিবেচনা এবং তত্সম্পর্কে কোন অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদানের ক্ষমতাসহ যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে৷

২১৷ কমিশনকে সহায়তা প্রদান

২১৷ (১) এই আইনের উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কমিশন আদেশ দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে যে কোন দায়িত্ব পালন ও সহায়তা প্রদান করার জন্য বাধ্য করিতে পারিবে৷ (২) সরকারের সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষ কমিশনকে উহার দায়িত্ব পালনে সহায়তা করিবে এবং এই উদ্দেশ্যে সরকার, কমিশনের অনুরোধক্রমে, প্রয়োজনীয় নির্দেশ জারী করিবে৷

২২৷ দায়মুক্তি

২২৷ এই আইন বা কোন বিধি বা উহার অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশ মোতাবেক সরল বিশ্বাসে কৃত বা অভিপ্রেত কোন কিছুর জন্য কমিশন বা অন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্যধারা চলিবে না৷

২৩৷ কতিপয় বিষয়ে কমিশন কর্তৃক নির্দেশ প্রদান

২৩৷ এই আইনের অধীন করা প্রয়োজন অথচ ইহার জন্য কোন বিধান বা পর্যাপ্ত বিধান নাই এইরূপ কোন কার্য কমিশন কর্তৃক নির্দেশিত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক, তত্কর্তৃক নির্দেশিত পদ্ধতিতে, সম্পাদন করা হইবে৷

২৪৷ বিধি প্রণয়ন

২৪৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, নির্বাচন কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷



Share your thoughts on this law