Your password is being change. Please wait ...

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন

Volume - 33 Act - ১৬ Year - ২০০১ Date - ১১ এপ্রিল, ২০০১

অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত কতিপয় সম্পত্তি বাংলাদেশী মূল মালিক বা তাহার বাংলাদেশী উত্তরাধিকারী বা উক্ত মূল মালিক বা উত্তরাধিকারীর বাংলাদেশী স্বার্থাধিকারী (Successor-in-interest) এর নিকট প্রত্যর্পণ এবং আনুষংগিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন৷

যেহেতু অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত কতিপয় সম্পত্তি বাংলাদেশী মূল মালিক বা তাহার বাংলাদেশী উত্তরাধিকারী বা উক্ত মূল মালিক বা উত্তরাধিকারীর বাংলাদেশী স্বার্থাধিকারী (Successor-in-interest) এর নিকট প্রত্যর্পণ এবং আনুষংগিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা

১৷ এই আইন অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১ নামে অভিহিত হইবে৷

২৷ সংজ্ঞা

২৷ বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,- (ক) “অর্পিত সম্পত্তি” অর্থ অর্পিত সম্পত্তি আইনের অধীনে সরকারে ন্যস্ত সম্পত্তি; (খ) “অর্পিত সম্পত্তি আইন” অর্থ- (অ) Defence of Pakistan Ordinance, 1965 (Ord. No. XXIII of 1965) (যাহা ১৬/০২/১৯৬৯ ইং তারিখ পর্যন্ত কার্যকর ছিল); (আ) উক্ত Ordinance No. XXIII of 1965 এর অধীনে প্রণীত Defence of Pakistan Rules, 1965 এবং উক্ত Rules এর অধীন প্রদত্ত আদেশের যতটুকু দফা (উ) তে উল্লেখিত Act বলে হেফাজতকৃত; (ই) Enemy Property (Continuance of Emergency Provisions) Ordinance, 1969 (Ord. No. I of 1969) (যাহা Act XLV of 1974 দ্বারা রহিত); (ঈ) Bangladesh (Vesting of Property and Assets) Order, 1972 (P. O. No. 29 of 1972) এর যতটুকু উপ-দফা (অ), (আ) এবং (ই)- েত উল্লিখিত Ordinance এবং Rules এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়; (উ) Enemy Property (Continuance of Emergency Provisions) (Repeal) Act, 1974 (XLV of 1974); এবং (ঊ) Vested and Non-resident Property (Administration) Act, 1974 (XLVI of 1974) (যাহা Ord. No. XCII of 1976 দ্বারা রহিত) এর যতটুকু উপ-দফা (অ), (আ) এবং (ই)- েত উল্লিখিত Ordinance এবং Rules এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়; (গ) “অস্থায়ী ইজারা” অর্থ, অকৃষি জমির ক্ষেত্রে, ১২ (বার) বত্সরের কম মেয়াদী ইজারা এবং কৃষি জমির ক্ষেত্রে, ১৫ (পনর) বত্সরের কম মেয়াদী ইজারা; (ঘ) “আপীল ট্রাইব্যুনাল” অর্থ ধারা ১৯ এর অধীনে স্থাপিত অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আপীল ট্রাইব্যুনাল; ১[ ***] (ঙ) “জেলা প্রশাসক” বলিতে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, তত্কর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত অন্য কোন কর্মকর্তাও অন্তর্ভুক্ত; (চ) “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ ধারা ১৬ এর অধীনে স্থাপিত অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল; ২[ (ছ) "ডিক্রী" অর্থ ধারা ১০(৮) ও ধারা ১৮(৬) এর অধীন যথাক্রমে, ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ডিক্রী;] (জ) “তত্ত্বাবধায়ক” অর্থ অর্পিত সম্পত্তির তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনার জন্য অর্পিত সম্পত্তি আইনের অধীন নিযুক্ত Custodian, Additional Custodian, Deputy Custodian বা Assistant Custodian; (ঝ) “দেওয়ানী কার্যবিধি” অর্থ Code of Civil Procedure, 1908 (Act V of 1908); (ঞ) “প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি” অর্থ অর্পিত সম্পত্তি আইনের অধীনে তত্ত্বাবধায়ক কর্তৃক অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হইয়াছে এইরূপ সম্পত্তির মধ্যে- (অ) যাহা এই আইন প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে সরকারের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে ছিল; বা (আ) যাহা “প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তি” অর্থাত্ দেবোত্তর সম্পত্তি, মঠ, শ্মশান, সমাধিক্ষেত্র বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি বা জনকল্যাণের উদ্দেশ্য ব্যক্তি উদ্যোগে সৃষ্ট ট্রাস্ট সম্পত্তি এবং যাহা এই আইন প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে সরকারের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে ছিল; ব্যাখ্যা৷- ধারা ৬ এর দফা (ক) হইতে (চ) তে উল্লিখিত কোন সম্পত্তি উক্তরূপ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি বা প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তি হিসাবে গণ্য হইবে না-তবে উক্ত ধারার দফা (চ) এর শর্তাংশে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হইবে; (ট) “ ৩[ প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির তালিকা” অর্থ ধারা ৯ এর অধীনে প্রকাশিত ৪[ প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির তালিকা; (ঠ) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধি; ৫[ ***] ৬[ (ড) ‘মালিক’ অর্থ যে ব্যক্তির সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত হইয়াছে সেই মূল মালিক বা তাহার উত্তরাধিকারী, বা উক্ত মূল মালিক বা উত্তরাধিকারীর স্বার্থাধিকারী(Successor in interest), বা তাহাদের অনুপস্থিতিতে তাহাদের উত্তরাধিকার সূত্রে এমন সহ-অংশীদার যিনি বা যাহারা ইজারা গ্রহণ দ্বারা বা অন্য কোনভাবে সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন (Co-sharer in possession by lease or in any form)যদি উক্ত মূল মালিক বা উত্তরাধিকারী বা স্বার্থাধিকারী (Successor in interest)বা উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-অংশীদার(Co-sharer in possession by lease or in any form) বাংলাদেশের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা হন;] (ঢ) অর্পিত সম্পত্তি বা প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি বা প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তির ক্ষেত্রে, “সরকারের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে” অর্থ সরকারের সরাসরি দখলে বা সরকার প্রদত্ত অস্থায়ী ইজারা বা ভাড়া বা অনুমতিসূত্রে সরকারের পরোক্ষ দখলে বা নিয়ন্ত্রণে, বা এই আইন প্রবর্তনের তারিখে বা তত্পূর্বে উক্তরূপ অস্থায়ী ইজারা, ভাড়া বা অনুমতির মেয়াদ শেষ হইয়া থাকিলে, উহার নবায়ন হইয়া থাকুক বা না থাকুক উক্ত সম্পত্তি; (ণ) “স্থায়ী ইজারা” বলিতে নিম্্নবর্ণিত ইজারা অন্তর্ভুক্ত- (অ) ৯৯ (নিরানব্বই) বত্সর মেয়াদী ইজারা; (আ) অকৃষি জমির ক্ষেত্রে, ১২ (বার) বত্সর মেয়াদী বা তদূর্ধ্ব মেয়াদী ইজারা যাহা Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 (E. B. Act XXIII of 1949) এর section 8 এর অধীনে উক্ত মেয়াদের পর স্থায়ী ইজারায় রূপান্তরিত হয়; এবং (ই) কৃষি জমির ক্ষেত্রে, ১৫ (পনের) বত্সর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদী এমন ইজারা যাহা সংশ্লিষ্ট ইজারা দলিলবলে উক্ত মেয়াদ শেষে স্থায়ী ইজারায় রূপান্তরিত হয়৷ ৭[ (ত) “ক তফসিল” অর্থ এই ধারার দফা (ঞ) তে বর্ণিত সম্পত্তি; ৮[ ***]] ৯[ (দ) “তফসিল” অর্থ এই আইনের অধীন সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রকাশিত ‘ক’ ১০[ ***] তফসিলে বর্ণিত সম্পত্তি তালিকা।] ১১[ ***]

৩৷ আইনের প্রাধান্য

৩৷ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর থাকিবে৷

৪৷ দেওয়ানী কার্যবিধির সীমিত প্রয়োগ

৪৷ এই আইনের অধীন কোন কার্যধারায় দেওয়ানী কার্যবিধির নিম্্নবর্ণিত বিধানাবলী ব্যতীত অন্য কোন বিধান প্রযোজ্য হইবে না, যথা:- (ক) এই আইনে বা বিধিতে কোন বিষয়ে দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান যতটুকু প্রযোজ্য মর্মে বিধান করা হয় ততটুকু; এবং (খ) উক্ত কার্যবিধির ১১ ধারা৷

৫৷ মালিক, প্রমুখের নিকট প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি প্রত্যর্পণ এবং ইহার ফলাফল

৫৷ (১) এই আইনের বিধানাবলী অনুসারে প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সম্পত্তি উহার মালিকের নিকট বা, ক্ষেত্রমত, প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তি ধারা ১৫ অনুসারে সেবায়েত বা মোহন্ত বা পরিচালনা কমিটির নিকট, প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রত্যর্পণ করা হইবে; এবং উক্ত রূপে প্রত্যর্পিত সম্পত্তির উপর সরকারের স্বত্ব, স্বার্থ, অধিকার ও সকল দায়-দায়িত্ব বিলুপ্ত হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তিতে সরকার বা সরকারের অনুমোদিত দখলদার সরকারের অনুমতিসহ কোন স্থাপনা নির্মাণ করিয়া থাকিলে বা উহাতে কোন অস্থাবর (immovable) সম্পত্তি থাকিলে সরকার বা ক্ষেত্রমত উক্ত দখলদার তাহা সরাইয়া লইতে পারিবেন৷ (২) কোন অর্পিত সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা হইয়া থাকিলে উক্ত সম্পত্তির বিপরীতে জমা থাকা ক্ষতিপূরণের টাকা উহার মালিককে এই আইনের বিধানাবলী অনুসারে প্রদান করা হইবে৷ (৩) এই আইনের অধীনে প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি কৃষি ভূমি হইলে উহা প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে Land Reforms Ordinance, 1984 (X of 1984) এবং তদধীনে প্রণীত বিধিমালা প্রযোজ্য হইবে৷

৬৷ কতিপয় সম্পত্তি [প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকায়] অন্তর্ভুক্তি নিষিদ্ধ

৬৷ ২[ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকায়] নিম্নবর্ণিত সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত করা যাইবে না, যথা:- (ক) কোন সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি নহে মর্মে এই আইন প্রবর্তনের পূর্বে যথাযথ আদালত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করিয়া থাকিলে সেই সম্পত্তি; (খ) এই আইন প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময় তত্ত্বাবধায়ক কর্তৃক অর্পিত সম্পত্তির তালিকা হইতে অবমুক্ত করা হইয়াছে এরূপ কোন সম্পত্তি; (গ) সরকার কর্তৃক কোন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা অন্য কোন সংগঠন বা কোন ব্যক্তির নিকট স্থায়ীভাবে হস্তান্তরিত বা স্থায়ী ইজারা প্রদত্ত অর্পিত সম্পত্তি; (ঘ) কোন সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিকট ন্যস্ত এমন অর্পিত সম্পত্তি যাহা শিল্প বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং উহার আওতাধীন সকল সম্পদ এবং এইরূপ সংবিধিবদ্ধ সংস্থা কর্তৃক উক্ত প্রতিষ্ঠান বা উহার আওতাধীন সম্পদ বা উহার কোন অংশবিশেষ হস্তান্তর করিয়া থাকিলে সেই হস্তান্তরিত সম্পত্তি; (ঙ) এমন অর্পিত সম্পত্তি যাহা কোন কোম্পানীর শেয়ার বা অন্য কোন প্রকারের সিকিউরিটি; (চ) জনস্বার্থে অধিগ্রহণ করা হইয়াছে এইরূপ কোন অর্পিত সম্পত্তি: তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তির বিপরীতে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের অর্থ জমা থাকিলে উক্ত সম্পত্তির অধিগ্রহণ-পূর্ব মালিককে বা তাহার উত্তরাধিকারী বা স্বার্থাধিকারীকে ক্ষতিপূরণের অর্থ এই আইনের বিধান অনুসারে প্রদান করা হইবে যদি উক্ত মালিক বা উত্তরাধিকারী বা স্বার্থাধিকারী ৩[ ***]বাংলাদেশের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা হন৷

৭৷ [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির দাবীতে নূতন মামলা দায়ের বা দাবী উত্থাপন নিষিদ্ধ

৭৷ (১) এই আইন প্রবর্তনের পর কোন ব্যক্তি কোন সম্পত্তি ২[ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্তিযোগ্য নহে মর্মে বা উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন সম্পত্তি প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তি নহে মর্মে কোন আদালতে মামলা দায়ের করিতে বা এইরূপ সম্পত্তি অবমুক্তির জন্য তত্ত্বাবধায়কের নিকট কোন দাবী উত্থাপন করিতে বা উহার ব্যাপারে নাম জারীর জন্য কোন রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট কোন আবেদন করিতে পারিবেন না৷ (২) এইরূপ মামলা দায়ের বা দাবী উত্থাপন বা আবেদন করা হইলে আদালত বা ক্ষেত্রমত তত্ত্বাবধায়ক উক্ত দাবী বা রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত আবেদন সরাসরি নাকচ করিবেন৷

৮। [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির হস্তান্তর নিষিদ্ধ

২[ ৮। এই আইনের অধীন অবমুক্তি বা প্রত্যর্পণ সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে কোন ব্যক্তি ৩[ প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তি বিক্রয়, দান বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তর করিতে বা বন্ধক রাখিতে পারিবে না এবং উক্তরূপ বিক্রয়, দান, অন্যবিধ হস্তান্তর বা বন্ধক বাতিল ও ফলবিহীন হইবে।]

৯৷[প্রত্যর্পণযোগ্য ]সম্পত্তির তালিকা প্রকাশ

৯৷ ২[ (১) অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (সংশোধন) আইন, ২০১১ কার্যকর হইবার ৩[ ৩০০ (তিনশত)] দিনের মধ্যে সরকার এই ধারার বিধান অনুযায়ী ‘ক’ ৪[ ***] তফসিলে বর্ণিত ৫[ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির] মৌজা ভিত্তিক ৬[ উপজেলা বা থানা বা] জেলাওয়ারী তালিকা প্রস্ত্তত করিয়া সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রকাশ করিবে ৭[ : তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ৩০০(তিনশত) দিনের মধ্যে তালিকা প্রস্তুত করিয়া সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা সম্ভব না হইলে, সরকার সুনির্দিষ্ট কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে তালিকা প্রস্তুত করিয়া সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করিবে।] ৮[ (১ক) উপ-ধারা (১) এর অধীন ৯[ প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির তালিকা প্রকাশের তারিখ অতিক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও এই আইন কার্যকর হইবার পর, সরকার, জনস্বার্থে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, অনধিক ৩০০ (তিনশত) দিনের মধ্যে অর্পিত সম্পত্তির তালিকা প্রকাশ করিবে।] (২) উক্ত তালিকায় মৌজা-ওয়ারী (ক) ১০[ ***] তফসিলে বর্ণিত অর্পিত সম্পত্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ (যেমনঃ−উক্ত সম্পত্তির প্রকৃতি, উক্ত সম্পত্তি জমি হইলে খতিয়ান নম্বর (সাবেক ও হাল) ও দাগ নম্বর (সাবেক ও হাল), পরিমাণ, ইত্যাদি) তথ্যাদি থাকিবে।] (৩) প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তির ব্যাপারে উপ-ধারা (২) অনুসারে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি উক্ত তালিকায় আলাদাভাবে অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে৷ (৪) জনস্বার্থে অধিগ্রহণকৃত অর্পিত সম্পত্তির বিপরীতে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের অর্থ জমা থাকিলে উপ-ধারা (২) অনুসারে উক্ত সম্পত্তির বিবরণ, অধিগ্রহণের তারিখ এবং জমাকৃত অর্থের পরিমাণ উক্ত তালিকায় আলাদাভাবে প্রকাশ করিতে হইবে৷ (৫) উক্ত তালিকা প্রকাশের সংগে সংগে সরকার- (ক) জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে এতদবিষয়ে রেডিও, টেলিভিশন এবং অন্যান্য প্রচার মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করিবে; (খ) প্রত্যেক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উক্ত তালিকার পর্যাপ্ত কপি সরবরাহ করিবে, যাহাতে আগ্রহী যে কোন ব্যক্তি উহার নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করিতে পারেন৷ ১১[ (৬) এই ধারার অধীনে ‘ক’ ১২[ ***] তফসিলে বর্ণিত এবং গেজেটে প্রকাশিত সম্পত্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নহে এমন কোন সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হইবে না এবং উহাতে অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে সরকারের কোন স্বত্ব, স্বার্থ, অধিকার বা দায়-দায়িত্ব থাকিবে না।]

৯ক। [***]

১[ ***]

৯খ।[***]

১[ ***]

৯খখ। [***]

১[ ***]

৯গ। [***]

১[ ***]

৯ঘ। [***]

১[ ***]

১০৷ [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তি প্রত্যর্পণ বা অবমুক্তির আবেদন, রেজিষ্ট্রি, রায় ও রায়ের অনুলিপি

১০৷ (১) ২[ ধারা ৯ এর অধীন গেজেটে প্রকাশিত ক তফসিলভুক্ত অর্পিত] সম্পত্তির মালিক উক্ত সম্পত্তি তাহার অনুকূলে প্রত্যর্পণের জন্য, উক্ত সম্পত্তির তালিকা প্রকাশের ৩[ ৩০০ (তিনশত)] দিনের মধ্যে, ট্রাইব্যুনালের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং আবেদনের সহিত তাহার দাবীর সমর্থনে সকল কাগজপত্র সংযুক্ত করিবেন৷ ৪[ (১ক) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন দায়ের করার সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও এই আইন কার্যকর হইবার পর ৫[ ৩১ ডিসেম্বর] ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ তারিখ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে আবেদন দায়ের করা যাইবে।] (২) ধারা ৯(৪) অনুযায়ী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন অধিগ্রহণকৃত অর্পিত সম্পত্তির বিপরীতে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের দাবীদার উপ-ধারা (১) অনুসারে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করিবেন এবং আবেদনের সমর্থনে সকল কাগজপত্র সংযুক্ত করিবেন; তবে এই আবেদনে তিনি জমাকৃত অর্থ বাবদ কোন সুদ দাবী করিতে পারিবেন না বা এইরূপ সুদ পাওয়ার অধিকারীও হইবেন না৷ (৩) প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকায় প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত কোন সম্পত্তি প্রত্যর্পণের জন্য কোন ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন না, বরং উহা প্রত্যর্পণের জন্য ১৫ ধারা অনুযায়ী উক্ত ধারায় উল্লেখিত ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন সম্পত্তি প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং কোন ব্যক্তি দাবী করেন যে, ধারা ৬ অনুসারে উক্ত সম্পত্তি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্তিযোগ্য নহে, তাহা হইলে তিনি উক্ত তালিকা হইতে উক্ত সম্পত্তি অবমুক্তির জন্য উপ-ধারা (৪) এর অধীনে ট্রাইব্যুনালের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন৷ (৪) প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকায় ধারা ৬ তে উল্লিখিত কোন সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত হইয়া থাকিলে সংশ্লিষ্ট স্বার্থবান ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের নিকট উক্ত সম্পত্তি প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকা হইতে অবমুক্তির জন্য উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করিতে পারিবেন এবং দাবীর সমর্থনে সকল কাগজপত্র আবেদনের সহিত সংযুক্ত করিবেন৷ (৫) প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি প্রত্যর্পণ বা অবমুক্তির জন্য ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত সকল আবেদন একটি স্বতন্ত্র রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে এবং যে সম্পত্তি প্রত্যর্পণ বা অবমুক্তির জন্য আবেদন করা হয় উহার বিপরীতে সংশ্লিষ্ট আবেদন বা আবেদনসমূহকে নম্বরযুক্ত করিয়া উহার বিবরণ লিপিবদ্ধ করিতে হইবে৷ (৬) এই ধারার অধীনে আবেদন প্রাপ্তির পর ট্রাইব্যুনাল- (ক) অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত আবেদন এই আইন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য কিনা এবং আবেদনের সমর্থনে আপাতঃদৃষ্টে পর্যাপ্ত কাগজপত্র দাখিল করা হইয়াছে কিনা তত্সম্পর্কে সিদ্ধান্ত ও প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করিবে; (খ) আবেদনটি গ্রহণযোগ্য হইলে সরকারের পক্ষে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসককে নোটিশ দিবে; (গ) উপস্থাপিত আবেদন বা আবেদনসমূহ (যদি থাকে) ও সরকারের কোন বক্তব্য থাকিলে তত্সম্পর্কে উভয় পক্ষকে শুনানীর সুযোগ দিবে; এবং (ঘ) ট্রাইব্যুনালের বিবেচনায় কোন বিষয় অনুসন্ধানের প্রয়োজন থাকিলে তত্সম্পর্কে অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে যে কোন বিচার বিভাগীয় বা কোন সরকারী কর্মকর্তা বা তাহার বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন ব্যক্তিকে এই অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে এবং সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান প্রতিবেদন বিবেচনান্তে রায় প্রদান করিতে পারিবে৷ ৬[ (৭) এই আইনের অধীনে কোন আবেদন প্রাপ্তির ৩০০ (তিনশত) দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল উহার রায় প্রদান করিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন অনিবার্য কারণে উক্ত মেয়াদের মধ্যে কোন আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হইলে, ট্রাইব্যুনাল কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করিতে পারিবে ৭[ ***]; আরও শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যদি যুক্তিসঙ্গত কোন কারণে কোন আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হয়, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য সর্বশেষ আরো ৩০(ত্রিশ) দিন সময় বর্ধিত করিতে পারিবে ৮[ ***] ।] ৯[ (৭ক) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার পর, কোন ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (৭) এ উল্লিখিত সময় সীমার মধ্যে কোন আবেদন নিষ্পত্তি করিতে না পারিলে উহা সরকারকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে এবং সরকার, জনস্বার্থে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা উক্ত ট্রাইব্যুনালের মামলার সংখ্যা, আঞ্চলিক এখতিয়ার ইত্যাদি বিবেচনাক্রমে এই ধারার অধীন আবেদন নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে।] (৮) ট্রাইব্যুনালের রায় লিখিত হইবে এবং উহাতে নিম্্নবর্ণিত বিষয়াদি থাকিবে:- (ক) আবেদনকারী বা আবেদনকারীগণ (যদি থাকে) এর দাবী এবং সরকারের বক্তব্য, যদি থাকে, এর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা; (খ) দাবীকৃত সম্পত্তি বা অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে উহার বিপরীতে প্রদেয় ক্ষতি-পূরণের অর্থ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে কিনা তত্সম্পর্কে সিদ্ধান্ত; (গ) আবেদন উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে পেশ করা হইয়াছে কিনা; ১০[ (ঘ) কোন সম্পত্তি প্রত্যর্পণের বা ক্ষেত্রমত উপরোক্ত ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির আবেদন করা হইলে আবেদনকারী⎯ (অ) তাহার দাবীকৃত সম্পত্তি বা ক্ষেত্রমত অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তির মালিক কিনা তৎসম্পর্কে সিদ্ধান্ত; এবং ১১[ (আ) ১২[ ***] দাবীকৃত সম্পত্তির গেজেটে প্রকাশিত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত মালিক Bangladesh Citizenship (Temporary Provisions) Order, 1972 (P.O. No. 149 of 1972) অনুসারে বাংলাদেশের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা কিনা তৎসম্পর্কে সিদ্ধান্ত।]] (ঙ) উপ-ধারা (৩) এর অধীনে কোন আবেদন থাকিলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি প্রত্যর্পণযোগ্য তালিকা হইতে অবমুক্ত করা হইবে কিনা তত্সম্পর্কে সিদ্ধান্ত; (চ) উপরোক্ত সিদ্ধান্তসমূহের ব্যাপারে উপস্থাপিত সাক্ষ্যের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ ও মূল্যায়নসহ সিদ্ধান্তের কারণ; (ছ) আবেদনকৃত প্রত্যর্পণ, ক্ষতিপূরণ বা অবমুক্তির ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ সম্বলিত আদেশ৷ (৯) এই ধারার অধীনে ট্রাইব্যুনাল প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি প্রত্যর্পণ বা অধিগ্রহণকৃত অর্পিত সম্পত্তির বিপরীতে জমাকৃত ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান বা উহাকে প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকা হইতে অবমুক্তির আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিয়া রায় প্রদান করিলে, রায় প্রদানের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, উক্ত রায় ভিত্তিক একটি ডিক্রী প্রস্তুত করিবে৷ (১০) এই ধারার অধীনে ট্রাইব্যুনালের- (ক) রায় ঘোষণার অনধিক ১৩[ ৩০(ত্রিশ)] দিনের মধ্যে আগ্রহী পক্ষ উক্ত রায়ের ও ডিক্রীর অনুলিপির জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং অনুলিপি সরবরাহের ব্যাপারে ট্রাইব্যুন্যালের কোন নির্দেশ (যদি থাকে) পালন সাপেক্ষে, আবেদনকারীকে ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী ১৪[ ৩০(ত্রিশ)] দিনের মধ্যে উক্ত অনুলিপি সরবরাহ করিবে; (খ) অন্য যে কোন আদেশের অনুলিপির জন্য যে কোন আগ্রহী পক্ষ যে কোন সময় আবেদন করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল, এইরূপ অনুলিপির ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ (যদি থাকে) পালন সাপেক্ষে, অনধিক ১৫[ ৩০(ত্রিশ)] দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল উক্ত অনুলিপি সরবরাহ করিবে৷

১১৷ ডিক্রী বাস্তবায়ন

১১৷ (১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, ট্রাইব্যুনাল উহার ডিক্রী বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, ডিক্রী প্রস্তুত হওয়ার ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিন পর, রায় ও ডিক্রীর অনুলিপি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণ করিবে এবং জেলা প্রশাসক এই ধারা অনুযায়ী উক্ত ডিক্রী বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷ (২) ডিক্রীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন আপীল শুনানীর জন্য আপীল ট্রাইব্যুনাল ১[ ***] কর্তৃক গৃহীত হইলে উক্ত ডিক্রীর বাস্তবায়ন স্থগিত থাকিবে৷ (৩) কোন সম্পত্তি প্রত্যর্পণের ডিক্রী থাকিলে এবং উহা সরকারের সরাসরি দখলে থাকিলে জেলা প্রশাসক উহার দখল অবিলম্বে ডিক্রী প্রাপককে এবং অধিগ্রহণকৃত অর্পিত সম্পত্তির ক্ষেত্রে জমাকৃত ক্ষতিপূরণের অর্থ ডিক্রী প্রাপককে প্রদান করিবেন৷ (৪) ডিক্রীকৃত সম্পত্তি অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দখলে থাকিলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে জেলা প্রশাসক- (ক) অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের নোটিশ দিয়া দখল পরিত্যাগের নির্দেশ দিবেন এবং তদনুসারে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দখল পরিত্যাগ করিলে ডিগ্রী প্রাপককে দখল বুঝাইয়া দিবেন; এবং (খ) নোটিশ অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দখল পরিত্যাগ না করিলে পুলিশ ফোর্সের সহায়তায় প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে এবং ক্ষেত্রমত কোন স্থাপনা অপসারণ করিয়া পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে দখলদারকে উচ্ছেদক্রমে ডিক্রী প্রাপককে দখল বুঝাইয়া দিবেন৷ (৫) উপ-ধারা (৩) বা (৪) অনুযায়ী ডিক্রী প্রাপককে প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির দখল বুঝাইয়া দেওয়া হইলে প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির প্রত্যর্পণ সম্পন্ন হইবে৷ (৬) উপ-ধারা (৩) বা (৪) অনুসারে প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির দখল বুঝাইয়া দেওয়ার পর জেলা প্রশাসক- (ক) তত্সম্পর্কে ট্রাইব্যুনালের নিকট একটি প্রতিবেদন প্রেরণ করিবেন; এবং (খ) সংশ্লিষ্ট রাজস্ব অফিসে ডিক্রীকৃত সম্পত্তি বাবদ রক্ষিত রেকর্ড অব রাইটস্‌ পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সংশোধনপূর্বক উহাতে ডিক্রী প্রাপকের নাম অন্তর্ভুক্তির ব্যবস্থা করিবেন, এবং উক্তরূপে সংশোধিত রেকর্ড অব রাইটস্‌ এর অনুলিপি তাহাকে প্রদান করিবেন৷ (৭) কোন প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি বা উহার অংশবিশেষ অবিভক্ত বা অবিভাজ্য অবস্থায় থাকিলে জেলা প্রশাসক বিষয়টি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য, প্রযোজ্যক্ষেত্রে খসড়া নক্সাসহ, একটি প্রতিবেদন ও এতদবিষয়ে কোন সুপারিশসহ, যদি থাকে, একটি প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং এইরূপ প্রতিবেদন উপ-ধারা (১) এর অধীনে ডিক্রীর অনুলিপি প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রেরণ করিতে হইবে৷ (৮) উপ-ধারা (৭) এর অধীনে প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ট্রাইব্যুনাল ডিক্রীকৃত সম্পত্তির দখল বুঝাইয়া দেওয়ার জন্য উহার বিবেচনামত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ দিতে পারিবে এবং তদনুসারে জেলা প্রশাসক পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে তদনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিয়া উপ-ধারা (৪) ও (৬) অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন এবং এতদবিষয়ে একটি প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করিবেন৷ ২[ ***]

১২৷ অবমুক্তির সিদ্ধান্তের আইনগত প্রকৃতি

১২৷ এই আইনের অধীনে কোন সম্পত্তি ১[ ২[ প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির তালিকা] হইতে অবমুক্তির সিদ্ধান্ত প্রদান করা হইলে- (ক) উক্ত সম্পত্তি ধারা ৬ তে উল্লিখিত প্রকারের সম্পত্তি হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে; এবং (খ) যে ব্যক্তির আবেদনে অবমুক্তির সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয় তাহার স্বত্ব বা দখল বা অন্য কোন অধিকার উক্ত সিদ্ধান্ত দ্বারা ঘোষণা বা বহাল করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না; (গ) অন্য কোন আইনের অধীন উক্ত সম্পত্তির ব্যাপারে আবেদনকারী বা অন্য কোন ব্যক্তির বৈধ অধিকার থাকিলে তাহা ক্ষুণ্ন হইবে না৷

১৩৷ [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলার abatement, কার্যধারা বন্ধ ও ট্রাইব্যুনালে দাবী উত্থাপন

১৩৷ (১) ২[ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকা] সরকারী গেজেটে প্রকাশের তারিখে যদি কোন আদালতে এমন দেওয়ানী মামলা অনিষ্পন্ন থাকে যাহাতে উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন সম্পত্তিতে স্বত্ব দাবী করিয়া বা উহা অর্পিত সম্পত্তি মর্মে দাবী করিয়া কোন প্রতিকার প্রার্থনা করা হইয়াছে, বা যদি তত্ত্বাবধায়কের নিকট এমন কোন কার্যধারা অনিষ্পন্ন থাকে যাহাতে উক্ত সম্পত্তিকে ৩[ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকা] হইতে অবমুক্তির আবেদন করা হইয়াছে, তাহা হইলে- (ক) ৪[ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকা] সরকারী গেজেটে প্রকাশের তারিখে উক্ত মামলায় উক্ত সম্পত্তি যতটুকু জড়িত ততটুকু বাবদ মামলাটি আপনা আপনি abated হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে; (খ) এইরূপ abatement এর জন্য সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিক আদেশ প্রদানের বাধ্যবাধকতা থাকিবে না, এবং উক্ত তারিখের পর এইরূপ সম্পত্তির বিষয়ে উক্ত আদালত প্রদত্ত কোন আদেশ (আনুষ্ঠানিক abatement আদেশ ব্যতীত) এর কার্যকরতা থাকিবে না; (গ) উক্ত তালিকা সরকারী গেজেটে প্রকাশের তারিখে তত্ত্বাবধায়ক উক্ত কার্যধারা কার্যক্রম বন্ধ করিবেন এবং উক্ত তারিখের পর এইরূপ সম্পত্তির বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রদত্ত আদেশ (কার্যক্রম বন্ধকরণের আদেশ ব্যতীত) এর কার্যকারিতা থাকিবে না৷ (২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সম্পত্তির মালিক উহা প্রত্যর্পণের জন্য বা উক্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে ধারা ৬ প্রযোজ্য হইলে সংশ্লিষ্ট স্বার্থবান ব্যক্তি উহা ৫[ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকা] হইতে অবমুক্তির জন্য বা জনস্বার্থে অধিগ্রহণকৃত অর্পিত সম্পত্তির বিপরীতে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের জন্য ৬[ ***] ট্রাইব্যুনালের নিকট, এবং কোন সম্পত্তি প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তি হইলে উক্ত ধারায় উল্লিখিত ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের নিকট, আবেদন করিতে পারিবেন৷ (৩) এইরূপ আবেদন উপস্থাপন ও নিষ্পত্তির ও সংশ্লিষ্ট ডিক্রী বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ধারা ৭[ ***] ১০, ১১ এবং ক্ষেত্রমত ধারা ১৫ এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷

১৪৷ অস্থায়ী ইজারা প্রদত্ত [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তি সম্পর্কিত বিধান

১৪৷ ২[ (১) ৩[ প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তি প্রত্যর্পণ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে থাকিবে এবং তিনি প্রচলিত আইন অনুযায়ী উহা ইজারা প্রদান করিবেন৷] (২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ইজারা প্রদত্ত সম্পত্তির দখল প্রত্যর্পণের জন্য ট্রাইব্যুনালের ডিক্রী থাকিলে, তদানুযায়ী ডিক্রী প্রাপককে ধারা ১১ তে বর্ণিত পদ্ধতিতে উক্ত সম্পত্তির দখল বুঝাইয়া দিতে হইবে৷

১৫৷ প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তি সম্পর্কিত বিধান

১৫৷ (১) কোন প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তি দেবোত্তর সম্পত্তি হইলে উহার সেবায়েত, বা উহা মঠ হইলে উহার মোহন্ত, বা উহা শ্মশান বা সমাধিক্ষেত্র বা দাতব্য প্রতিষ্ঠান হইলে বা জনকল্যাণের উদ্দেশ্য ব্যক্তি উদ্যোগে সৃষ্ট ট্রাষ্ট বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হইলে উহার পরিচালনা কমিটি (যে নামেই অভিহিত হউক) এর কোন সদস্য, বা ট্রাস্টি বা এইরূপ সেবায়েত বা মোহন্ত বা কমিটি না থাকিলে, সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের কোন স্থানীয় নাগরিক, উক্ত সম্পত্তি প্রত্যর্পণের জন্য ১[ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকা] সরকারী গেজেটে প্রকাশের ২[ ৩০০(তিনশত)] দিনের মধ্যে, জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন৷ (২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক উপ-ধারা (৪) এর বিধান সাপেক্ষে- (ক) দেবোত্তর সম্পত্তির ক্ষেত্রে আবেদনকারী তাহার দাবীমতে সেবায়েত বা মোহন্ত কিনা এবং বাংলাদেশের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা কিনা তাহা নির্ধারণ করিয়া উক্ত সেবায়েত বা মোহন্তের নিকট, উক্ত সম্পত্তির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ধারা ১১ এর উপ-ধারা (৩), (৪) এবং (৫) এর বিধানাবলী যতদূর সম্ভব অনুসরণক্রমে, উক্ত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করিবেন; এবং (খ) উক্ত সম্পত্তির কোন সেবায়েত বা মোহন্ত না থাকিলে, বা উহা শ্মশান, সমাধিক্ষেত্র বা ধর্মীয় বা দাতব্য প্রতিষ্ঠান হইলে, উহার ব্যবস্থাপনা ও যথাযথ পরিচালনার উদ্দেশ্যে, স্থানীয় সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের অনধিক পাঁচজন সদস্য সমন্বয়ে একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করিয়া এই কমিটির নিকট উক্ত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করিতে পারিবেন৷ (৩) কোন প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তির ব্যাপারে উপ-ধারা (১) এর অধীনে একাধিক ব্যক্তি আবেদন করিলে জেলা প্রশাসক এইরূপ আবেদন একযোগে নিষ্পত্তি করিবেন এবং এই ব্যাপারে উপ-ধারা (২) অনুযায়ী সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন, এইরূপ সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরকারের নিকট আপীল দায়ের করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে৷ (৪) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সম্পত্তি বা উহার কোন অংশবিশেষ ধারা ৬ অনুসারে ৩[ প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকা] অন্তর্ভুক্তিযোগ্য নহে বিধায় উহা অবমুক্তির জন্য কোন ব্যক্তি ধারা ১০ এর উপ-ধারা (৩) বা (৪) এর অধীনে ট্রাইব্যুনালের নিকট আবেদন করিলে জেলা প্রশাসক- (ক) উপ-ধারা (২) এর অধীন কার্যক্রম স্থগিত রাখিবেন; এবং (খ) উক্ত আবেদনের ব্যাপারে এই আইনের অধীনে প্রদত্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রাপ্তির পর তদনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷

১৬৷ ট্রাইব্যুনাল স্থাপন ও উহার গঠন

১৬৷ ১[ (১) এই আইনের অধীন আবেদনসমূহ নিম্পত্তির উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলার জন্য একটি অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল এবং, প্রয়োজনবোধে, এক বা একাধিক অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ অতিরিক্ত ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করিতে পারিবে।] (২) কোন জেলার জন্য একাধিক ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত হইলে,- (ক) ট্রাইব্যুনাল স্থাপনকারী প্রজ্ঞাপনে সরকার নির্দিষ্ট করিয়া দিবে যে, উহাতে উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালে সকল আবেদন পেশ করা হইবে; এবং (খ) উক্ত ট্রাইব্যুনাল তত্কর্তৃক শুনানীর জন্য গৃহীত আবেদনসমূহের মধ্যে যে কোন আবেদন নিষ্পত্তির জন্য অতিরিক্ত ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করিতে পারিবে৷ ২[ ***] (৪) ৩[ ৪[ ***] যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ] পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় একজন কর্মকর্তা সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার ট্রাইব্যুনাল বা অতিরিক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারককে ট্রাইব্যুনালের জন্য এককভাবে বা তাহার সাধারণ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করিতে পারিবে৷ ৫[ (৪ক) সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা উপ-ধারা (৪) এর অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠন সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের আঞ্চলিক অধিক্ষেত্র (Territorial Jurisdiction) নির্ধারণ করিয়া দিবে; ] ৬[ ***]

১৭৷ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার

১৭৷ ট্রাইব্যুনাল- (ক) ১[ ২[ ***] ধারা ১০ এর] অধীনে পেশকৃত আবেদন এই আইন অনুসারে নিষ্পত্তি এবং এই আইনে প্রদত্ত অন্যান্য ক্ষমতা প্রয়োগ ব্যতীত অন্য কোন মামলা নিষ্পত্তি বা অন্য কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করিবে না; (খ) কোন সম্পত্তি ৩[ ৪[ প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির তালিকায়] অন্তর্ভুক্ত না থাকিলে উক্ত সম্পত্তির বিষয়ে পেশকৃত আবেদন শুনানীর জন্য গ্রহণ করিবে না, বরং উহা সরাসরি নাকচ করিয়া দিবে; (গ) ৫[ ৬[ প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির তালিকায়] অন্তর্ভুক্ত কোন সম্পত্তির ব্যাপারে ধারা ১০ অনুসারে উক্ত ধারার উপ-ধারা (৮) তে উল্লিখিত প্রশ্নে বা উক্ত প্রশ্নে সিদ্ধান্ত গ্রহণের উদ্দেশ্যে উহার সহিত সরাসরি জড়িত প্রশ্নে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে; অন্য কোন প্রশ্নে বা বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে না; (ঘ) উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন সম্পত্তির ব্যাপারে একাধিক ব্যক্তি আবেদন করিলে এইরূপ আবেদন একযোগে শুনানী করিবে এবং প্রয়োজনবোধে একটি রায়ের মাধ্যমে উহাদিগকে নিষ্পত্তি করিতে পারিবে৷

১৮৷ আপীল

১৮৷ (১) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তসমূহের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করা যাইবে; ট্রাইব্যুনালের অন্য কোন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল ট্রাইব্যুনালে বা অন্য কোন আদালতে বা কর্তৃপক্ষের নিকট উক্ত সিদ্ধান্তের বৈধতা, যথার্থতা বা সঠিকতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না, এবং তাহা করা হইলে আপীল ট্রাইব্যুনাল বা উক্ত অন্য আদালত বা কর্তৃপক্ষ সরাসরি নাকচ করিয়া দিবে৷ (২) ট্রাইব্যুনালের নিম্্নবর্ণিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী বা প্রতিপক্ষ আপীল দায়ের করিতে পারিবেন:- (ক) ১[ ২[ ***] ধারা ১০] এর উপ-ধারা (১), (২) বা (৪) এর অধীনে কোন আবেদন শুনানীর জন্য গ্রহণ না করিয়া সরাসরি নাকচের সিদ্ধান্ত; (খ) একতরফা বা দোতরফা শুনানী অন্তে ধারা ১০ এর উপ-ধারা (১) বা (২) এর অধীনে প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি প্রত্যর্পণ বা ক্ষতিপূরণের টাকা পাওয়ার আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিয়া প্রদত্ত রায়; (গ) একতরফা বা দোতরফা শুনানী অন্তে ৩[ ৪[ ***] ধারা ১০(৩)] এর অধীনে উপস্থাপিত অবমুক্তকরণের আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিয়া প্রদত্ত রায়: তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত বা রায়ের পূর্বে প্রদত্ত এমন অন্তর্বর্তী আদেশের ব্যাপারে আপীলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে যাহার ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উক্ত সিদ্ধান্ত বা রায় প্রদান করিয়াছে৷ (৩) ট্রাইব্যুনাল কোন আবেদন ধারা ২৩(৩) এর অধীনে খারিজ করিলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাইবে না৷ (৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সিদ্ধান্ত বা রায় প্রদানের ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করিতে হইবে এবং এই সময়সীমা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে Limitation Act, 1908 (IX of 1908) এর Section 5 প্রযোজ্য হইবে না৷ ৫[ (৫) আপীল ট্রাইব্যুনাল উভয় পক্ষকে শুনানীর সুযোগ প্রদানপূর্বক আপীল দায়েরের ৩০০ (তিনশত) দিনের মধ্যে উহার রায় প্রদান করিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন অনিবার্য কারণে উক্ত মেয়াদের মধ্যে কোন আপীল নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হইলে, আপীল ট্রাইব্যুনাল কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করিতে পারিবে ৬[ ***] : আরও শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যদি যুক্তিসঙ্গত কোন কারণে কোন আপীল নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হয়, তাহা হইলে আপীল ট্রাইব্যুনাল উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য সর্বশেষ আরো ৩০(ত্রিশ) দিন সময় বর্ধিত করিতে পারিবে ৭[ ***] ।] (৬) কোন পক্ষকে শুনানী অন্তে আপীল ট্রাইব্যুনাল আপীল মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিয়া সিদ্ধান্ত প্রদান করিলে উহার ভিত্তিতে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে একটি ডিক্রী প্রস্তুত করিবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে অবিলম্বে উক্ত রায় ও ডিক্রির অনুলিপি ট্রাইব্যুনাল ও জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণ করিবে৷

১৯। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আপীল ট্রাইবুনাল স্থাপন ও উহার গঠন।

১[ ১৯। (১) এই আইনের অধীনে আপীল আবেদনসমূহ নিস্পত্তির উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলার জন্য একটি অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আপীল ট্রাইব্যুনাল এবং, প্রয়োজনবোধে, এক বা একাধিক অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ অতিরিক্ত আপীল ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করিতে পারিবে। (২) জেলা জজ সমন্বয়ে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আপীল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অতিরিক্ত জেলাজজ সমন্বয়ে অর্পিত সম্পত্তি পত্যর্পণ অতিরিক্ত আপীল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে। (৩) অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আপীল ট্রাইব্যুনাল ধারা ১৮ এর অধীন দায়েরকৃত আপীল আবেদনসমূহের মধ্যে যে কোন আপীল আবেদন নিষ্পত্তির জন্য অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ অতিরিক্ত আপীল ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করিতে পারিবে।]

২০৷ আপীল ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার

২০৷ (১) এই আইনের অধীনে দায়েরকৃত আপীলে উত্থাপিত তথ্যগত প্রশ্নে (question of fact) এবং আইনগত প্রশ্নে (question of law) আপীল ট্রাইব্যুনাল উহার সিদ্ধান্ত প্রদানসহ আপীলকৃত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে রহিত করিতে বা ক্ষেত্রমত অনুমোদন (confirm) করিতে বা উহা সংশোধন করিতে পারিেবঃ ১[ তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১০(৮) এ উল্লিখিত বিষয় এবং ট্রাইব্যুনালের রায় বা সিদ্ধান্তের বৈধতা ও যথার্থতা ২[ ***] ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে আপীল ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে না।] (২) আপীল নিষ্পত্তির সুবিধার্থে আপীল ট্রাইব্যুনাল এমন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে পারিবে যাহা আপীলের বিষয়বস্তুর সহিত সরাসরি সম্পর্কযুক্ত এবং যাহা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সিদ্ধান্ত প্রদানের পরে উদ্ভূত হইয়াছে৷ (৩) আপীল ট্রাইব্যুনাল কোন আপীলে উত্থাপিত প্রশ্ন পুনঃশুনানী বা পুনঃসিদ্ধান্তের জন্য ট্রাইব্যুনালে ফেরত (remand) দিবে না, বরং নথিভুক্ত কাগজপত্র এবং সাক্ষ্যের ভিত্তিতে উহার সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে: ৩[ তবে শর্ত থাকে যে, ট্রাইব্যুনাল ৪[ ***] কোন আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ না করিয়া সরাসরি নাকচ করিয়া থাকিলে এবং আপীল ট্রাইব্যুনাল উক্ত সিদ্ধান্ত রহিত করিলে আবেদনটির উপর শুনানির জন্য আপীল ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিতে পারিবে।] (৪) একই সম্পত্তির ব্যাপারে একাধিক আপীল দায়ের হইলে আপীল ট্রাইব্যুনাল একযোগে ঐ সকল আপীল শুনানী ও নিষ্পত্তি করিবে এবং প্রয়োজনবোধে একটি রায় দ্বারা উহাদিগকে নিষ্পত্তি করিতে পারিবে৷

২০ক। [***]

১[ ***]

২১। [***]

২২। [ট্রাইব্যুনাল ও আপীল ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি]

২[ ২২। (১) ৩[ ট্রাইব্যুনাল ও আপীল ট্রাইব্যুনাল] এর সকল শুনানী প্রকাশ্যে অনুষ্ঠিত হইবে এবং উহার রায় প্রকাশ্যে ঘোষিত হইবে। (২) এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, ৪[ ট্রাইব্যুনাল ও আপীল ট্রাইব্যুনাল] বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবে, এবং এইরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত প্রচলিত নিয়ম ও পদ্ধতি অনুসারে উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিবে। (৩) আপীল ট্রাইব্যুনাল ৫[ ***] উহার নিকট উপস্থাপিত তথ্যগত বিষয় (Question of fact) ও আইনগত বিষয়ে (Question of law) যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার রায় চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে]

২৩৷ একতরফা শুনানী ও একতরফা খারিজ সম্পর্কিত বিশেষ বিধান

২৩৷ ১[ (১) একতরফাভাবে কোন পক্ষকে শুনানী অন্তে কোন আবেদন বা আপীল মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করার ক্ষেত্রে ২[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল] উল্লিখিত বিষয়ে, সঠিকতা ও যথাযর্থতা সম্পর্কে বিবেচনা করিয়া সিদ্ধান্ত বা ক্ষেত্রমত রায় প্রদান করিবে।] (২) ৩[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনালে] কোন আবেদন বা আপীল একতরফাভাবে কোন পক্ষকে শুনানী অন্তে মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করা হইলে একবারের বেশী উক্ত আবেদন বা আপীল পুনর্বহাল বা একতরফা আদেশ রহিতক্রমে পুনঃশুনানী করা যাইবে না৷ (৩) ৪[ ৫[ ধারা ১০ এর অধীন পেশকৃত কোন আবেদন] বা ধারা ১৮ এর অধীনে] দায়েরকৃত কোন আপীল শুনানীর সময় আবেদনকারী বা আপীলকারী উপস্থিত না থাকিলে এবং অন্য কোন পক্ষ শুনানীতে আগ্রহী না হইলে আবেদন বা আপীল খারিজ হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক রায় প্রদানের প্রয়োজন হইবে না৷ (৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রদত্ত খারিজ আদেশ এক বারের বেশী রহিতক্রমে উক্ত আবেদন বা আপীল পুনর্বহাল করা যাইবে না৷

২৪৷ সাক্ষ্য গ্রহণ, সাক্ষীর উপস্থিতি ও দলিল উপস্থাপন নিশ্চিতকরণ

২৪৷ (১) এই আইনের অধীনে পেশকৃত আবেদন বা দাবী বা আপীলের সমর্থনে সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক উপস্থাপিত সাক্ষীর বক্তব্যের সারাংশ ১[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল] লিপিবদ্ধ করিবে৷ (২) ২[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল] কর্তৃক কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য বা উপস্থিতি কিংবা কোন দলিল অনুসন্ধান বা উপস্থাপনের প্রয়োজন হইলে, উক্ত উপস্থিতি, অনুসন্ধান বা উপস্থাপন নিশ্চিত করিবার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির এর বিধান অনুসারে এতদসংক্রান্ত বিষয়ে কোন দেওয়ানী আদালত যে ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারে ৩[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল] সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে৷ (৩) কোন আবেদন বা আপীল নিষ্পত্তির জন্য যে কোন ব্যক্তিকে হাজির হওয়ার বা প্রয়োজনীয় কোন দলিল বা কাগজপত্র কোন ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণ বা হেফাজতে থাকিলে উহা উপস্থাপনের জন্য ৪[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল] উক্ত ব্যক্তিকে নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত নির্দেশ পালনে উক্ত ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন৷

২৫৷ বিধানের অপর্যাপ্ততার ক্ষেত্রে [ট্রাইব্যুনাল ও আপীল ট্রাইব্যুনালের]বিশেষ এখতিয়ার

২৫৷ এই আইনের অধীন কোন আবেদন বা আপীল নিষ্পত্তির ব্যাপারে এই আইন বা বিধিতে পর্যাপ্ত বিধান নাই বলিয়া মনে করিলে ২[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল] বিষয়টি লিপিবদ্ধ করিয়া সংশ্লিষ্ট পরিস্থিততে উহার বিবেচনামত ন্যায় বিচারের জন্য সহায়ক হয় এইরূপ যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ ও সিদ্ধান্ত প্রদান করিতে পারিবে৷

২৬৷ অ-দাবীকৃত সম্পত্তি সংক্রান্ত বিধান

১[ ২৬৷ ২[ (১) এই আইনের অধীন আবেদনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করা না হইলে বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপীল দায়ের করা না হইলে বা আপীলে দাবী প্রমাণিত না হইলে সংশ্লিষ্ট অর্পিত সম্পত্তি সরকারী সম্পত্তি হিসাবে গণ্য হইবে।] (২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত সরকারি সম্পত্তি সরকার বিক্রয় বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তর বা সরকারের বিবেচনামতে যে কোনভাবে ব্যবহার বা নিষ্পত্তি করিতে পারিবে।]

২৭। ক্রয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার

১[ ২৭। (১) ধারা ২৬ এর অধীনে ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত সম্পত্তি বিক্রয় বা স্থায়ী ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে, উক্ত সম্পত্তি যে হোল্ডিং/খতিয়ানভুক্ত সেই হোল্ডিং/খতিয়ানের যিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সহ-অংশীদার (co-sharer), যদি থাকে, তিনি অগ্রাধিকার পাইবেন এবং এইরূপ সহ-অংশীদার না থাকিলে যিনি বিক্রয়ের পূর্বে ইজারাসূত্রে ভোগদখলভুক্ত ছিলেন তিনি অগ্রাধিকার পাইবেন। ২[ ***] (৩) উপ-ধারা (১) ৩[ ***] এর অধীনে ক্রয়কৃত সম্পত্তি কৃষি জমি হইলে উহার ক্ষেত্রেLand Reforms Ordinance, 1984 (X of 1984)এবং তদ্‌ধীন প্রণীত বিধি প্রযোজ্য হইবে।]

২৮৷ অর্পিত সম্পত্তি বাবদ ক্ষতিপূরণ বা অন্যবিধ দাবী নিষিদ্ধ

২৮৷ এই আইন প্রবর্তনের পূর্বে অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত কোন সম্পত্তি উক্তরূপে তালিকাভুক্ত হওয়ার কারণে, বা অর্পিত সম্পত্তি আইন বা এই আইনের অধীনে প্রত্যর্পণ বা অবমুক্তি বা নিষ্পত্তি বা তত্সম্পর্কে অন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে, কোন ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তি বাবদ কোন ক্ষতিপূরণ, বা উক্ত সম্পত্তি হইতে সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত কোন আয় বা সুবিধা, বা সরকার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তির নিষ্পত্তি বা সরকার প্রদত্ত ইজারা বা অনুমতিসূত্রে কোন ব্যক্তি কর্তৃক উহা হইতে প্রাপ্ত আয় বা সুবিধা বাবদ কোন ক্ষতিপূরণ বা অনুরূপ কোন দাবী করিতে পারিবেন না; এবং কোন আদালত বা কর্তৃপক্ষের নিকট এইরূপ দাবী করা হইলে উক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষ উক্ত দাবী সরাসরি নাকচ করিয়া দিবে৷

২৮ক। 'খ' তফসিল বিলুপ্তি, ইত্যাদি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান।

১[ ২৮ক। (১) অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০১৩ কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে অর্পিত সম্পত্তি সম্পর্কিত 'খ' তফসিল বাতিল হইবে এবং উহা এমনভাবে বাতিল হইবে যেন, উক্ত তফসিলভুক্ত সম্পত্তি কখনোই অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হয় নাই। (২) এই আইনের অধীন স্থাপিত ট্রাইব্যুনাল, আপীল ট্রাইব্যুনাল বা বিশেষ আপীল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক উপ-ধারা (১) এর অধীন বিলুপ্তকৃত 'খ' তফসিলভুক্ত সম্পত্তির বিষয়ে ইতোমধ্যে নিষ্পত্তিকৃত যে কোন মামলার রায় বা ডিক্রী বাতিল ও অকার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল, আপীল ট্রাইব্যুনাল বা বিশেষ আপীল ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন উক্ত 'খ 'তফসিলভুক্ত সম্পত্তি সম্পর্কিত সকল মামলা abate হইয়া যাইবে এবং এইরূপ abatement এর জন্য সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিক আদেশ প্রদানের প্রয়োজন হইবে না। (৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাতিলকৃত 'খ' তফসিল সম্পর্কিত কোন আবেদন বা নালিশ জেলা কমিটি, বিভাগীয় কমিটি বা কেন্দ্রীয় কমিটিতে যে কোন পর্যায়েই থাকুক না কেন উহা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হইয়া যাইবে। (৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন 'খ' তফসিল বাতিল হওয়া সত্ত্বেও উক্ত তফসিলভুক্ত সম্পত্তিতে সরকার বা কোন ব্যক্তির কোন স্বত্ব বা স্বার্থ সম্পর্কে প্রচলিত আইনের অধীন প্রতিকার লাভে কোন আইনগত বাধা থাকিবে না। (৫) ধারা ২০ক বিলুপ্ত হওয়া সত্ত্বেও উক্ত ধারার অধীন গঠিত কোন বিশেষ আপীল ট্রাইব্যুনালে 'ক' তফসিলভুক্ত সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মামলা বিচারাধীন থাকিলে উহা এমনভাবে চলমান থাকিবে যেন, উক্ত ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত হয় নাই এবং উক্ত মামলায় প্রদত্ত ডিক্রী ধারা ২ (ছ) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রদত্ত ডিক্রী হিসাবে গণ্য হইবে।]

২৯৷ সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ

২৯৷ অর্পিত সম্পত্তি আইন বা এই আইন বা বিধির অধীনে সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে বা তাহার ক্ষতিগ্রস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকিলে, তজ্জন্য সরকার বা ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল বা এইসব ট্রাইব্যুনালের কোন বিচারক বা সরকারের কোন কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী বা অন্য কোন আইনগত কার্যধারা দায়ের করা যাইবে না৷

৩০৷ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৩০৷ ১[ ২[ ***] এই আইনে]উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷

৩১৷ বিচারিক কার্যক্রম

১[ ৩১ । এই আইনের অধীনে ২[ ট্রাইব্যুনাল ও আপীল ট্রাইব্যুনালের] বা কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যক্রম Penal Code (XLV of 1860) এর Section 228 এ উল্লিখিত বিচারিক কার্যক্রম (Judicial Proceeding) ওCode of Criminal Procedure, 1898 (Act, V of 1898)-এরSection 480 তে উল্লিখিতCivil Court এর কার্যক্রম বলিয়া গণ্য হইবে।]

৩২৷ অপরাধ ও দণ্ড

৩২৷ কোন ব্যক্তি- (ক) ১[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনালের] সম্মুখে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা আবেদন বা আপীল করিলে, বা লিখিত বা মৌখিকভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা নিজের সঠিক পরিচয় গোপন করতঃ অন্য ব্যক্তির পরিচয়ে আবেদন বা বক্তব্য পেশ বা সাক্ষ্য প্রদান বা কোন দাবী উপস্থাপন করিলে; (খ) ইচ্ছাকৃতভাবে ২[ ৩[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনালে] এর] কোন জাল বা মিথ্যা দলিল উপস্থাপন করিলে; বা (গ) ৪[ ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনালের] কোন নির্দেশ বা ডিক্রী বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক প্রদত্ত নির্দেশ লংঘন করিলে; তিনি অনধিক ৭ (সাত) বত্সরের কারাদণ্ডে বা অনধিক ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷

৩৩৷ রহিতকরণ

৩৩৷ (১) এতদ্‌দ্বারা Enemy Property (Continuance of Emergency Provisions) (Repeal) Act, 1974 (XLV of 1974) রহিত করা হইল৷ (২) উক্ত রূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও, কোন প্রত্যর্পণযোগ্য জমি সরকারের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে থাকাকালে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট উক্ত সম্পত্তি বাবদ কোন পাওনা অপরিশোধিত থাকিলে উহা সরকারী পাওনা (Public demand) হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে এবং আদায়কৃত অর্থ বা সম্পদ ১[ প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাবে]জমা হইবে।



Related Laws

স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন

Acquisition and Requisition of Immovable Property Ordinance, 1982 রহিতক্রমে যুগোপযোগী করিয়া উহা পুনঃপ্রণয়নের…

রেলওয়ে সম্পত্তি (অবৈধ দখল উদ্ধার) আইন, ২০১৬

Railway Property (Unlawful Possession) Ordinance, 1979 এর বিষয়বস্তু বিবেচনাক্রমে উহা পরিমার্জনপূর্বক…

ওয়াক্‌ফ (সম্পত্তি হস্তান্তর ও উন্নয়ন) বিশেষ বিধান আইন

ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির হস্তান্তর ও উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণকল্পে বিশেষ বিধান করিবার…

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন

অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত কতিপয় সম্পত্তি বাংলাদেশী মূল মালিক…

অস্থাবর সম্পত্তি হুকুমদখল আইন

যেহেতু অবস্থাবর সম্পত্তি হুকুমদখলকল্পে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

Blogs

Viagra Europe Cheap Canadian Cialis http://costofcial.com…
JustdewXT JustdewXT

cialis mixed with xanax generic…
CharlesanWorgo CharlesanWorgo

how to spot a fake viagra pill generic…
ThomaserAgova ThomaserAgova

what happens if i take viagra and cialis cialis…
Jasonjuilt Jasonjuilt

erectile pills canada erection…
Kevinicold Kevinicold