Your password is being change. Please wait ...

বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন

Volume - 34 Act - ৩২ Year - ২০০১ Date - ৮ জুলাই, ২০০১

বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট স্থাপনকল্পে প্রণীত আইন৷

যেহেতু বাংলাদেশের শিল্পীদের কল্যাণ সাধনে বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট স্থাপন এবং এতদ্‌সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সমীচীন ও প্রয়োজন; সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা

১৷ এই আইন বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০০১ নামে অভিহিত হইবে৷

২৷ সংজ্ঞা

২৷ বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,- (ক) “চেয়ারম্যান” অর্থ বোর্ডের চেয়ারম্যান; (খ) “ট্রাস্ট” অর্থ এই আইনের অধীন স্থাপিত বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট; (গ) “তহবিল” অর্থ ট্রাস্টের তহবিল; (ঘ) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান; (ঙ) “বোর্ড” অর্থ ধারা ৬ এর অধীন গঠিত ট্রাস্টী বোর্ড; (চ) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি; (ছ) “ব্যবস্থাপনা পরিচালক” অর্থ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ধারা ১২(৪) এর অধীন ব্যবস্থাপনা পরিচালকরূপে দায়িত্ব পালনরত ব্যক্তিও অন্তর্ভুক্ত হইবে; (জ) “শিল্পী” অর্থ সাহিত্যিক, স্থপতি, ভাস্কর, চিত্রকর, অভিনয় শিল্পী, সংগীত শিল্পী, নৃত্য শিল্পী, আবৃত্তিকার এবং সৃজনশীল কোন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিও অন্তর্ভুক্ত হইবে; (ঝ) “সদস্য” অর্থ বোর্ডের সদস্য৷

৩৷ ট্রাস্ট স্থাপন

৩৷ (১) এই আইন বলবত্ হইবার পর, যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার এই আইনের বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট স্থাপন করিবে৷ (২) ট্রাস্ট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করার, অধিকারে রাখার ও হস্তান্তর করার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং ইহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইবে৷

৪৷ ট্রাস্টের কার্যালয়

৪৷ ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং বোর্ড, প্রয়োজনবোধে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে৷

৫৷ সাধারণ পরিচালনা ও প্রশাসন

৫৷ ট্রাস্টের পরিচালনা ও প্রশাসন ট্রাস্টী বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং ট্রাস্ট যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে বোর্ড সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে৷

৬৷ ট্রাস্টী বোর্ড গঠন

৬৷ (১) ট্রাস্টী বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য-সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:- (ক) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি উহার চেয়ারম্যান হইবেন; (খ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব, যিনি উহার ভাইস-চেয়ারম্যান হইবেন; (গ) স্পীকার কর্তৃক মনোনীত দুইজন সংসদ সদস্য; (ঘ) বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক; (ঙ) শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক; (চ) অর্থ বিভাগ কর্তৃক মনোনীত উক্ত বিভাগের অন্যুন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা; (ছ) তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত উক্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যুন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা; (জ) সরকার কর্তৃক মনোনীত আটজন বিশিষ্ট শিল্পী; (ঝ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, যিনি উহার সচিবও হইবেন৷ (২) উপ-ধারা ১(চ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে তিন বত্সরের মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন৷ (৩) শুধুমাত্র সদস্যপদে শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রুটি থাকার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না৷

৭৷ ট্রাস্টের কার্যাবলী

৭৷ ট্রাস্টের কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা:- (ক) সাধারণভাবে অসচ্ছল শিল্পীদের কল্যাণ সাধন; (খ) শিল্পীদের কল্যাণার্থে প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়ন; (গ) পেশাগত কাজ করিতে অক্ষম ও অসমর্থ শিল্পীকে আর্থিক সাহায্য প্রদান; (ঘ) অসুস্থ শিল্পীর চিকিত্সার ব্যবস্থা করা বা আর্থিক সাহায্য প্রদান; (ঙ) শিল্পকর্মে বিশেষ অবদানের জন্য বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা; (চ) শিল্পীদের মেধাবী ছেলে-মেয়েকে শিক্ষার জন্য এককালীন মঞ্জুরী, বৃত্তি কিংবা ষ্টাইপেন্ড প্রদান; (ছ) দুর্ঘটনায় কোন শিল্পীর মৃত্যু ঘটিলে তাহার পরিবারবর্গকে সাহায্য প্রদান; (জ) উপরি-উক্ত কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য যে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে অন্য যে কোন কার্য করা৷ ব্যাখ্যা৷- এই ধারায় “পরিবার” অর্থ সংশ্লিষ্ট শিল্পীর উপর আর্থিকভাবে নির্ভরশীল স্ত্রী বা স্বামী, পিতা ও মাতা এবং নির্ভরশীল পুত্র ও কন্যা৷

৮৷ বোর্ডের সভা

৮৷ (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷ (২) বোর্ডের সভা, চেয়ারম্যানের সম্মতিক্রমে, উহার সচিব কর্তৃক আহূত হইবে এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷ (৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে ভাইস-চেয়ারম্যান এবং তাঁহাদের উভয়ের অনুপস্থিতিতে সভায় উপস্থিত সদস্যগণ কর্তৃক তাঁহাদের মধ্য হইতে নির্বাচিত কোন সদস্য সভাপতিত্ব করিবেন৷ (৪) বোর্ডের সভার কোরামের জন্য মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন হইবে, তবে মুলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না৷ (৫) বোর্ডের সভায় প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে৷

৯৷ ট্রাস্টের তহবিল

৯৷ (১) ট্রাস্টের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা:- (ক) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; (খ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; (গ) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে গৃহীত ঋণ; (ঘ) ট্রাস্ট পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ও সম্পদ হইতে আয়; (ঙ) ট্রাস্টের সম্পত্তি বিক্রয়লব্ধ অর্থ; (চ) দেশী ও বিদেশী উত্স হইতে প্রাপ্ত অর্থ; (ছ) অন্য কোন উত্স হইতে প্রাপ্ত অর্থ৷ (২) এই তহবিল ট্রাস্টের নামে কোন তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখা হইবে এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উঠানো যাইবে৷ (৩) এই তহবিল হইতে ট্রাস্টের প্রয়োজনীয় ব্যয়-নির্বাহ করা হইবে৷ (৪) বোর্ড তহবিলের অর্থ বা উহার অংশবিশেষ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করিতে পারিবে৷

১০৷ বাজেট

১০৷ ট্রাস্ট প্রতিবত্সর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বত্সরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বত্সরে সরকারের নিকট হইতে ট্রাস্টের কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে৷

১১৷ হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা

১১৷ (১) ট্রাস্ট উহার আয়-ব্যয়ের যথাযথ হিসাব রক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে৷ (২) বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বলিয়া উল্লিখিত, প্রতি বত্সর ট্রাস্টের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা রিপোর্টের অনুলিপি সরকার ও বোর্ডের নিকট পেশ করিবেন৷ (৩) উপ-ধারা (২) মোতাবেক হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি ট্রাস্টের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং বোর্ডের কোন সদস্য, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ট্রাস্টের অন্যান্য কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন৷

১২৷ ব্যবস্থাপনা পরিচালক

১২৷ (১) ট্রাস্টের একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকিবেন৷ (২) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাঁহার চাকুরীর শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে৷(৩) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ট্রাস্টের সার্বক্ষণিক মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি- (ক) বোর্ড এর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন; (খ) বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব ও কার্য সম্পাদন করিবেন; (গ) ট্রাস্টের প্রশাসন পরিচালনা করিবেন৷ (৪) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে শূন্য পদে নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা ব্যবস্থাপনা পরিচালক পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক মনোনীত কোন ব্যক্তি ব্যবস্থাপনা পরিচালকরূপে দায়িত্ব পালন করিবেন৷

১৩৷ ট্রাস্টের কর্মকর্তা ও কর্মচারী

১৩৷ ট্রাস্ট উহার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহাদের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

১৪৷ সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ

১৪৷ এই আইন বা কোন বিধি বা প্রবিধানের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকিলে তজ্জন্য বোর্ড বা কোন সদস্য, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা অন্যান্য কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না৷

১৫৷ ক্ষমতা অর্পণ

১৫৷ বোর্ড উহার যে কোন ক্ষমতা, প্রয়োজনবোধে এবং নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে, চেয়ারম্যান বা অন্য কোন সদস্য, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা অন্য কোন কর্মকর্তার নিকট অর্পণ করিতে পারিবে৷

১৬৷ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

১৬৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷

১৭৷ প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

১৭৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা কোন বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে৷



Related Laws

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন

ইপিজেডস্থ বা জোনস্থ শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক নিয়োগ, মালিক ও শ্রমিকের…

বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন

রিহ্যাবিলিটেশন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা কার্যক্রম বা পাঠ্যক্রমের…

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন

Fisheries Research Institute Ordinance, 1984 রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার…

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন আইন

Bangladesh Standards and Testing Institution Ordinance, 1985 রহিতক্রমে উহা নূতনভাবে প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন…

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আইন

Technical Education Act, 1967 রহিতক্রমে যুগোপযোগী করিয়া নূতনভাবে প্রণয়নকল্পে প্রণীত…

Share your thoughts on this law